শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

নগরকান্দায় মুক্তিযোদ্ধার উপর অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাইফুল ইসলাম
নগরকান্দা (ফরিদপুর) থেকে>

ফরিদপুরের নগরকান্দায় বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা (শিক্ষক) কে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করদিয়া গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী মিয়া বাড়িতে ঘর নির্মাণ কাজ তদারকি করার সময় প্রতিবেশী ছালাম শেখ গংদের অতর্কিত হামলায় গুরুত্বর আহত হয়ে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে।

জানা যায়, ১৪৬ নং লস্করদিয়া মৌজার ৫৫৩ খতিয়ানের বর্তমান বি এস ৭৫ নং দাগের জমি ২০০৪ সালে ছালাম সেকের ভাই শহিদ শেখ ও তার মা রেজিয়া বেগমের নিকট থেকে কিনে নেয় বীর মুক্তিযোদ্ধা (শিক্ষক) মোঃ ইদ্রিস আলী মিয়া। জমি কিনে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। বাড়িতে নতুন ঘর নির্মাণ করে গেলে জমি দাবি করে ছালাম সেক পিতি মৃত তেজারউদ্দিন সেক জমিতে ঘর তুলতে বাধা দেয় এবং ঐ জমির উপর মামলা দিয়ে ১৪৪ দ্বারা জারি করে।

এ বিষয়ে একটি মামলাও দায়ের করা হয়। ৬২১/২০ নং মামলাটি ১১ জানুয়ারি আদালত খারিজ করে দেয়। এ কারনে বীর মুক্তিযোদ্ধা থানার তদন্তকারি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত ওসি) কে জানিয়ে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সহ স্হানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে পুনরায় নির্মাণ কাজ তদারকি করতে গেলে হঠাৎ অতর্কিত হামলা চালায় ছালাম সেক গং। এ সময় রামদা দিয়ে ছালাম সেক মুক্তিযোদ্ধা স্কুল শিক্ষক ইদ্রিস আলী মিয়ার মাথায় কোপ দেয় এবং তার ভাই শহিদ, রুবেল পিতা ছালাম সেক, ছালাম সেকের স্ত্রী ইয়ারন বেগম, শহিদ সেকের স্ত্রী আসমা বেগম সহ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা লোকজন এই হামলা চালায় বলে মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী মিয়া জানান।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ