মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫) প্রেসিডেন্টের অনুমতিতে সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে মিশর সৌদি আরবের দুই শহরে জরুরি সতর্কতা জারি   ‘নির্বাচনের আড়ালে চাপা পড়ছে ইসরায়েলের অপরাধ’

মাহফিলে শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে ইউপি চেয়ারম্যানের ‘প্রকাশ্য হুমকি’: বক্তার গাড়ি ভাঙচুর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব।।

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামে সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মরহুম মাওলানা আফসার উদ্দিন স্বরণে নারায়ণপুর যুব সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, মাওলানা এম হাসিবুরের বক্তব্যের সময় রাত সাড়ে ১১ টার দিকে স্থানীয় ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীম-কতৃক হামলার শিকার হয়েছেন।

এ বিষয়ে তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, ‘কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় গোবিন্দপুর ইউনিয়নের নারায়াণপুর গ্রামের মাহফিলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীম-এর নেতৃত্বে তার গুণ্ডাবাহিনী আমার গাড়ি ভাংচুর করে। মাহফিলে আমার আলোচনা চলাকালীন স্বঘোষিত এই গুণ্ডা চেয়ারম্যান তার স্বসস্ত্র গুণ্ডাবাহিনী নিয়ে মাহফিলস্থলে এসে মাহফিলে গণ্ডগোল সৃষ্টি করে।’

মাওলানা এম হাসিবুরের আপলোডকৃত ভিডিওতে দেখা যায় ইউপি চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীম  অকথ্য ভাষায় মাহফিলে আগত শ্রোতাদের গালিগালাজ করছে। গালাগালির পাশাপাশি তিনি উপস্থিত প্রতিবাদী শ্রোতাদের হুমকি দিয়ে বলতে থাকেন- ‘আমি গুণ্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি। কারো সাহস থাকলে সামনে আসো। বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমি তাদেরকে খুন করবো। কারো লাশ খুঁজে পাওয়া যাবে না।তাদের ঘরবাড়ি মরুভূমি বানিয়ে দিবো।

ইউপি চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীম উপস্থিত প্রতিবাদী শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে কসম করে বলেন, আমি তাদের  মায়ের পেটের বাচ্চা পর্যন্ত মেরে ফেলবো। আমি সবার ছবি তোলে রেখেছি। দেখবো কে কোন এলাকা থেকে এসেছে। সবগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়া হবে।’

এ প্রসঙ্গে মাওলানা এম হাসিবুর বলেন, এসবের পর অবস্থা বেগতিক দেখে আমি স্টেইজ থেকে নেমে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশে ফোন করে পুলিশ প্রোটেকশন চাই। এরই মধ্যে আমার গাড়িও ভাংচুর করা হয়। অবশেষে পুলিশের ভাইয়েরা আমাকে নিরাপত্তা দিয়ে আমার লোকজনসহ নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিয়েছেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ