বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জার্মানি উপকূলে আঘাত হেনেছে ‘অর্ণব’, দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫)

সিরিয়ায় লাখ লাখ মানুষ এখনো নিখোঁজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাতিসংঘের তদন্ত দল জানিয়েছে সিরিয়ায় গত ১০ বছরে গৃহযুদ্ধের সময় আটক হওয়া লাখ লাখ বেসামরিক নাগরিক এখনও নিখোঁজ। জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ওই তদন্ত দল আরও জানিয়েছে, আরও কয়েক হাজার ব্যক্তি হয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বা নিরাপত্তা হেফাজতে থাকার সময়েই মারা গেছেন।

দেশটির গৃহযুদ্ধকালীন যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধ বিষয়ে নতুন এক রিপোর্টে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিষয়টি এখন ভয়ংকর ট্রমায় পরিণত হয়েছে, যার দিকে অবশ্যই দৃষ্টি দেওয়া দরকার।

প্রায় দুই হাজার ৬৫০ সাক্ষ্য আর আটকের পর ১০০টির বেশি ঘটনার ওপর ভিত্তি করে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের স্বাধীন আন্তর্জাতিক কমিশনের সিরিয়াবিষয়ক এ তদন্ত রিপোর্টটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

তদন্ত রিপোর্টে দেখা যায়, সিরিয়ায় সক্রিয় সব পক্ষই মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে প্রতিপক্ষকে শাস্তি দেওয়ার জন্য। কমিশনের চেয়ারম্যান পাওলো পিনহেইরো জানান, সরকারি বাহিনী একতরফাভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিক্ষোভকারীদের আটক করেছে।

আগে আটক ছিলেন এমন কয়েকজন জানিয়েছেন, তারা মাসের পর মাস দিনের আলো দেখেননি, নোংরা পানি পানে বাধ্য হয়েছেন, খেয়েছেন বাসি খাবার এবং ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত সেলে তাদের রাখা হয়েছিল। এসব সেলে টয়লেট সুবিধা যেমন ছিল না, তেমনি ছিল না কোনো চিকিৎসা সুবিধা।

সরকারি কারাগারগুলোতে যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তারা তদন্তকারীদের জানিয়েছেন যে, মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য অন্তত বিশটি উপায়ে সেখানে নির্যাতন করা হতো। এর মধ্যে ছিল ইলেকট্রিক শক দেওয়া, শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়িয়ে দেওয়া, নখ ও দাঁত উপড়ে ফেলা এবং দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলিয়ে রাখা।

রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, আটক অবস্থায় কত মানুষ মারা গেছে তার কোনো হিসfব নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে অন্তত লাখো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে সরকারি হেফাজতেই। সব দেশকে এ অপরাধের জন্য জবাবদিহিতার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের এ কমিশন।

সূত্র: বিবিসি/আরব নিউজ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ