মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে ইফা সড়কে প্রাণ গেল মেধাবী তরুণ আলেম মাহমুদ হাসান আরিফের স্বচ্ছতা বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার ডিজিটাল করছে বাংলাদেশ ব্যাংক দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনের সাধারণ সময় শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাসের শঙ্কা! হারামাইনের সাউন্ড সিস্টেম বদলে দেওয়ার কারিগর তুর্কি প্রকৌশলী পাল্টে গেল দাখিল-আলিমের ‘সাধারণ শাখা’র নাম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানত তোলা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

একসঙ্গে থেকে সম্মতির শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ নয়: ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: একসঙ্গে থেকে সম্মতির শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ নয় বলে মন্তব্য  করেছে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট। তারা বলেন, প্রাপ্ত বয়স্ক দুজন নর-নারী একসঙ্গে (লিভ ইন) থাকার সময় উভয়ের সম্মতিতে যে শারীরিক সম্পর্ক হয় সেটি ধর্ষণ নয়। দেশটির প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে, বিচারপতি এ এস বোপান্না এবং বিচারপতি ভি রামাসুব্রামানিয়ামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার (১ মার্চ) এমন মন্তব্য করেন।

আদালত বলেছেন, ‘বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়া ভুল। একজন নারীরও কাউকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা ভেঙে ফেলা উচিত নয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, একটি দীর্ঘদিনের লিভ ইন রিলেশনে যে শারীরিক সম্পর্ক হয় তা ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে।’

পাঁচ বছর একসঙ্গে থাকা এক যুগলের সম্পর্ক ভাঙার পর দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে এমন মন্তব্য করলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এই বেঞ্চ।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়- মামলার বাদী তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তারা দীর্ঘদিন একসঙ্গে ছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গী প্রতারণা করে অন্য এক নারীকে বিয়ে করেছেন। এজন্য তিনি বিচার চেয়ে আদালতের দারস্থ হয়েছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী বিভা দত্ত মাখিজা বলেন, একসঙ্গে থাকার সময়কার পরস্পর সম্মতির শারীরিক সম্পর্ককে পরবর্তীতে ধর্ষণ বলে মামলা করা হয়েছে। এ কারণে তার মক্কেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিষয়টিকে ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেন এই আইনজীবী।

মাখিজা আদালতকে বলেন, এটি মামলার বাদীর একটি ‘অভ্যাসগত’ ব্যাপার। তিনি এর আগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তুলেছেন। এ সময় আদালত বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বিবেচনায় ‘অভ্যাসগত’ শব্দটি আইনে নিষিদ্ধ।

তখন মাখিজা বলেছেন যে, তিনি এই বিষয়টির সংবেদনশীলতা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন তবে এই অভিযোগকারীর অভিযোগ যে মিথ্যা তা প্রমাণ করতেই ওই শব্দ ব্যবহার করেছেন। এরপর আদালত আসামিকে আট সপ্তাহের জন্য জামিন দিয়ে এই সময়ের মধ্যে তাকে মামলার বাকি কার্যক্রমের জন্য প্রমাণাদি যোগাড় করতে বলেন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ