বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জার্মানি উপকূলে আঘাত হেনেছে ‘অর্ণব’, দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫)

মশা এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় ‘থ্রেটেনিং’: মেয়র আতিক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মুহা. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, মশা এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় ‘থ্রেটেনিং’। মশা নিয়ন্ত্রণে আমরা ইতোমধ্যে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি। আগামী ৮ মার্চ থেকে অভিযান চলবে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বনানী ১ নম্বর রোডে শহিদ যায়ান চৌধুরী মাঠ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তেব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আতিক বলেন, ৮ মার্চ ডিএনসিসির সকল কর্মকর্তা, মশক নিধন কর্মী, মশক নিধন সম্পর্কিত সকল যন্ত্রপাতি,পরিচ্ছন্নতা কর্মী অঞ্চল-২ নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর সমন্বিত মশক নিধন অভিযান পরিচালিত হবে। এটি হবে অঞ্চলভিত্তিক ক্রাশ প্রোগ্রাম। এরপরের দিন অঞ্চল-৪ অভিযান পরিচালিত হবে।

এভাবে সকল অঞ্চলে ১৬ই মার্চ পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতীত) এ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে। একটি অঞ্চলে মোট চোদ্দশ মশক নিধন কর্মী কাজ করবে। ১৬ মার্চ প্রথম দফা ক্রাশ প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পরে এক দিন বিরতি দিয়ে আবার ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে। একদল বিশেষজ্ঞ কীটতত্ত্ববিদ থাকবেন। তারা ক্রাশ প্রোগ্রামটি সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা মনিটরিং করবেন। মশার কীটনাশকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করবেন।

মেয়র বলেন, কিছুদিন আগে আমরা বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্ক, উদায়াচল পার্ক উদ্বোধন করেছি। সেখানে সবাই খেলতে আসে, কোন ধরনের বাধা নেই। আমরা মাঠ ও পার্কগুলো সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য উন্মুক্ত দরপত্র আহবান করছি। যাকে মাঠ ব্যবস্থাপনার জন্য দেব, তার মাঠ সম্পর্কে, খেলা সম্পর্কে, মাঠ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আগামীর ভবিষ্যৎ শিশু-কিশোররা এবং নারীরাও এই মাঠে খেলতে পারবে। এমনকি পথ শিশুরাও যাতে এখানে খেলতে পারে। রাতেও যাতে খেলাধুলা করা যেতে পারে সেজন্য ব্যবস্থা করা হবে। এই মাঠের আশেপাশে যারা আছে, সবাই যেনো এখানে এসে খেলতে পারে। নিরাপত্তার জন্য ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহিদ যায়ান চৌধুরী এই মাঠে খেলতো, তাই তার নামে এই মাঠটির নামকরণ করা হয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ