বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জার্মানি উপকূলে আঘাত হেনেছে ‘অর্ণব’, দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫)

সীরাত সম্মেলন থেকে ফেরার পথে নিহত আলেমপরিবারের পাশে ইত্তেফাকুল উলামা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত (৬ মার্চ) শনিবার ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহী আয়োজিত কেন্দ্রীয় সীরাত সম্মেলন থেকে ফেরার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যান মাওলানা আবুল কাশেম (৩৫) নেত্রকোনার দুর্গাপুরের জামিয়া মাদানিয়া জামিউল উলুম মাদরাসার নূরানী বিভাগের শিক্ষক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুর্গাপুর উপজেলার যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আবুল কাশেম ইত্তেফাকের সীরাত সম্মেলনে আসেন। কিন্তু হঠাৎ বাড়ি থেকে তার সন্তান অসুস্থের সংবাদ আসায় তিনি সিএনজিযোগে বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেন।

পথিমধ্যে ময়মনসিংহ নেত্রকোনা সড়কের গাছতলা নামক জায়গায় তাদের বহনকারী সিএনজিটে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাস চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান এবং ময়মনসিংহ হাসপাতালে আনার পর মাওলানা আবুল কাশেম মারা যান।

দূর্গাপুরের বাসিন্দা মুহাম্মদ নওয়াব আলীর তিন ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে বড় ছিলেন মাওলানা আবুল কাশেম। মৃত্যুকালে তিনি সা'দ ( ৬ ) নামে এক ছেলে ও সাদিয়া ( ৮ ) নামে এক মেয়ে রেখে যান। মরহুমের কর্মস্থল জামিউল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ওয়ালীউল্লাহ্ ও শিক্ষকরা জানান, মাওলানা আবুল কাশেম খুবই কর্মঠ ও সামাজিক মানুষ ছিলেন। যেকোন কাজে তিনি এগিয়ে যেতেন এবং সবার সাথে মিলেমিশে সামাজিক কাজ আঞ্জাম দিতেন।

রবিবার সকল ১০ টায় স্থানীয় ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয় এবং তার জানাযায় প্রায় ১৫ সহস্রধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। ইত্তেফাকের সীরাত সম্মেলন থেকে ফেরার পথে এই ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর ইত্তেফাকের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইলে সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং রবিবার সন্ধ্যায় ইত্তেফাক নেতৃবৃন্দের একটি টিম মরহুমের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য দুর্গাপুরে যান।

সেখানে মাওলানা আবুল কাশেম এর কবর যিয়ারাত করেন। তার কর্মস্থল জামিউল মাদরাসায় যান এবং শহরের লক্ষীখোলায় গিয়ে তার পরিবারের খোঁজখবর নেন। এসময় সেখানে এক হৃদয়বিদারক ঘটনার অবতারণা হয়। মাওলানা আবুল কাশেমের এতিম দুই শিশুসন্তানের কান্না দেখে উপস্থিত কেউ চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি।

এসময় তারা মরহুমের পরিবারকে সান্ত্বনা দেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ইত্তেফাকুল উলামার টিমকে স্বাগত জানান এবং শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন জামিউল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ্ ও শিক্ষকবৃন্দ।

টিমে ছিলেন, ইত্তেফাকুলু উলামা ময়মনসিংহ জেলা সভাপতি মুফতি মুহিব্বুল্লাহ্,কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মুফতি আমীর ইবনে আহমদ,জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি শরীফুর রহমান, সহসম্পাদক মাওলানা মানাযির আহসান খান তাবশীর।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ