শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

ভাঙন থেকে রক্ষায় নদীতীরে ব্যতিক্রমধর্মী দোয়ার আয়োজন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যমুনার ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পেতে আজ মঙ্গলবার বাদ ফজর এক ব্যতিক্রমধর্মী দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে নদীপাড়ের বাসিন্দারা।  পাশাপাশি তারা এনায়েতপুরের ব্রাহ্মণগ্রাম থেকে পাঁচিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয় কিলোমিটার স্থায়ী তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণে সাড়ে ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদনে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

নদীভাঙ্গন থেকে রক্ষা পেতে গ্রামের প্রায় সকল পুরুষ নদী ভাঙনের স্থানে উপস্থিতে হোন এবং কেঁদে কেঁদে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। দোয়ায় তারা বলেন, 'ভয়ঙ্কর যমুনার কবল থেকে আল্লাহ আমাদের বাঁচান। ফসলি জায়গা নদীগর্ভে চলে গেছে, এহন শেষ সম্বল বসতভিটা ভাঙনে হুমকির মুখে। আবার বাড়ি ভাঙলে যাব কোথায়? বাঁচার কোনো উপায় নাই। আল্লাহ আমাদের বাঁচান, রক্ষা করুন।'

স্থানীয় ইউপি সদস্য মহির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সিরাজগঞ্জ চেম্বার অ্যান্ড কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, এনায়েতপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রফিক মোল্লা, সাবেক ইউপি সদস্য ইউসুফ আলী শেখ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সেলিম রেজা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মালেক সরদার উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন সাবেক ইউপি সদস্য আজমত আলী। পরে সবার মধ্যে তবারক বিতরণ করা হয়।

জানা যায়, চৌহালী উপজেলাধীন খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন থেকে দক্ষিণে শাহজাদপুর উপজেলার পাঁচিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয় কিলোমিটার এলাকায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই ভাঙন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এখনও প্রতিদিনই কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন চলছেই।

গত দুই বছরের আড়কান্দি-বাঐখোলা, পাকুরতলা, ঘাটাবাড়ি, জালালপুর ও পাঁচিল এলাকার প্রায় সাড়ে তিন হাজার বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বহু ফসলি জমি যমুনার পেটে গেছে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ