বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নাঙ্গলকোটে মাদরাসার বার্ষিক মাহফিলে দাওয়াহ ক্যাম্প, পুরস্কৃত মেধাবী শিক্ষার্থীরা ‘নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় সবারই দায়িত্ব রয়েছে’ হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৬) দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জার্মানি উপকূলে আঘাত হেনেছে ‘অর্ণব’, দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

হত্যা মামলার প্রধান আসামি কাদের মির্জা; মামলা নেয়নি পুলিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ারর ইসলাম: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিবদমান কাদের মির্জা ও বাদল গ্রুপের সংঘর্ষে সিএনজি চালক আলা উদ্দিনের মৃত্যুতে মেয়র কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে নিহতের ভাই মামলা দিলেও মামলা নেয়নি পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে সিএনজি চালক আলা উদ্দিনের ভাই এমদাদ হোসেন বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের ৬ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করেনি।

এ মামলায় সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই কাদের মির্জাকে ১ নম্বর আসামি, তার ভাই সাহাদত হোসেন এবং ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত পুলিশ এজাহার দাখিল করেনি বলে জানিয়েছেন মামলার বাদী। তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছে মামলার বাদীও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তিনিও ভয়ে সরাসরি তেমন কোন মন্তব্য করতে রাজি হইনি। তবে স্থানীয়রা জানান, বসুরহাট পৌরসভা ভবনের সামনে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

রাত পৌনে ১১টার দিকে নোয়াখালী পুলিশ সুপার মুহা. আলমগীর হোসেন জানান, সিএনজি চালক আলাউদ্দিনের হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর হামলার প্রতিবাদে বসুরহাট বাজারের রূপালী চত্বরে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে উপজেলা আ.লীগ। পরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভায় আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীরা সভার একেবারে শেষ মুহূর্তে ককটেল ও গুলি ছোঁড়ে এবং সভার পার্শ্ববর্তী এলাকায় ব্যাপক ককটেল বিষ্ফোরণ করে একটি নৈরাজ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। এ সময় সভাস্থল থেকে উপজেলা আ.লীগের নেতৃবৃন্দ এক সাথে হয়ে কাদের মির্জার অনুসারীদের প্রতিরোধ করতে গেলে মাকসুদাহ গার্লস স্কুল রোড এলাকায় দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা, ককটেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

এ সময় পুরো বসুরহাট বাজার জুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এ ছাড়াও থেমে থেমে ক্ষমতাসীন দলের দু’গ্রুপের অনুসারীরা বসুরহাট বাজারের বিভিন্নস্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, গোলাগুলি ও ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আহত হন ওসি মীর জাহিদুল হক রনিসহ চার পুলিশ। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলিবিদ্ধ সিএনজি চালক ও স্থানীয় যুবলীগ কর্মী মো.আলাউদ্দিন (৩২) মারা যান।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ