বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই শহীদদের স্মরণে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ শিশুদের ক্যানসার হাসপাতালের নিকটে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ ইরানের ‘সংস্কার বাস্তবায়ন না হওয়া আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল’ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ জিয়াউর রহমানের হত্যায় অভিযুক্ত গ্রেফতার, কে এই মোজাফফর হেফাজত আমিরের আহ্বানে ৭ ইসলামী দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত আরবি হরফের পতাকা নিয়ে উগ্রবাদী তৎপরতার প্রমাণ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় ২ সাংবাদিকের মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলনের শোক

আজান নিয়ে উপাচার্যের আপত্তি: এলহাবাদে মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফজরের আজান নিয়ে এলাহাবাদ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য সঙ্গীতা শ্রীবাস্তবের আপত্তির পর এলাহাবাদ রেঞ্জের আইজি রাত ১০ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত এলহাবাদের সব মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন। খবর মিল্লাত টাইমস অনলাইনের।

এই বিষয়ে এলহাবাদের চার জেলার ডিএম ও এসএসপির কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন আইজি এবং তাদের শব্দদূষণ আইন ও হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশাবলী কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আইজির নির্দেশনা অনুযায়ী, রাত দশটা থেকে সকাল ছয়টা পর্যন্ত লাউডস্পিকার বাজানো ও মাইকে জনসাধারণকে সম্বোধন করার যে সব ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। লোকজনকে অস্বস্তি থেকে বাঁচাতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেই আইজি। মসজিদের পাশাপাশি মন্দিরও এই নির্দেশনার আওতাধীন বলে জানিয়েছে ভারতীয় উর্দু অনলাইন সংবাদ মাধ্যম মিল্লাত টাইমস।

মসজিদ ও মন্দিরের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও বিবাহ এবং আবদ্ধ ঘরে কোন পার্টির আয়োজনে রাত ১২টা পর্যন্ত লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে বলে জানানো হয়েছে সেই নির্দেশনায়।

প্রসঙ্গত, এর আগে ফজরের সময় মাইকের আজানে ঘুমের ব্যাঘাত ও মাথাব্যথা শুরু হয় বলে মন্তব্য করেছিলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সঙ্গীতা শ্রীবাস্তব। এজন্য অবিলম্বে তার বাড়ির কাছে অবস্থিত মসজিদে মাইকে আজান বন্ধের দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। এজন্য জেলা প্রশাসককে চিঠিও দিয়েছিলেন এই উপচার্য।

চিঠি পাওয়ার পর জেলা প্রশাসক তাকে আশ্বস্ত করেচিলেন যে, আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিতর্ক শুরু হয়েছে।অনেকেই বলছেন, রাজ্য ক্ষমতায় বিজেপি আসার পর থেকেই এগুলো ঘটছে।

জেলা প্রশাসক ভানুচন্দ্র গোস্বামীর কাছে লেখা চিঠিতে সঙ্গীতা বলেন, আজান থেমে গেলেও আর ঘুমাতে পারেন না। মাথা ব্যথা করে। সারাদিনের কাজেও এর প্রভাব পড়ে। তবে তিনি কোনও ধর্মের বিরোধী নন বলেও জানান সঙ্গীতা। কিন্তু রমজানের সময় ভোর ৪টা থেকে মসজিদের মাইকে যেভাবে ঘোষণা শুরু হয়, তাতে এলাকার মানুষদের অসুবিধা হয় বলে চিঠিতে লিখেছেন এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

এদিকে সঙ্গীতার এমন অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অযোধ্যার সন্ন্যাসী ও পুরোহিতরা তাকে সমর্থন করছেন। তাদের দাবি, জোরে নয় বরং মাইকে যদি মাঝারি শব্দে আজান দেয়া হয় তাহলে কারও অসুবিধেই হবে না। সমর্থন দিয়েছে বিজেপিও।

সঙ্গীতা শ্রীবাস্তবের অভিযোগের পরই এই নির্দেশনা জারি করলেন এলহাবাদের আইজি।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ