আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মগবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। অবহেলাজনিত প্রাণহানির অভিযোগ এনে মঙ্গলবার পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে, যার নম্বর ৩০।
মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মগবাজারের ওয়্যারলেসের ৭৯ নম্বর আউটার সার্কুলার রোডের পুরনো একটি তিনতলা ভবনে বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা।
ভবনটির একাংশ ধসে পড়ে; আশপাশের ডজনখানেক ভবনের কাচ চৌচির হয়ে ভেঙে পড়ে। সড়কে থাকা দুটি বাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও শিশু রয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন আরও অনেকেই।
তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৫ জন এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩ জনের চিকিৎসা চলছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, আহতদের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে মো. নূর নবী (৩০), ইমরান হোসেন (২৫) ও মো. রাসেল (২১) বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে রয়েছেন। আর ঢামেকের ক্যাজুয়ালটি বিভাগে আছেন শিক্ষক এসএম কামাল হোসেন (৬২)।
চিকিৎসাধীন অন্য চার জন হলেন— আবু কালাম কালু (৩৩) ও জাফর আহামেদ (৬১) বার্ন ইনস্টিটিউটে, আর হৃদয় (২৮)ও সুভাষ সাহা (৬২)ঢামেকে আছেন।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. আলাউদ্দিন সোমবার (২৮ জুন) বলেন, ‘আমাদের এখানে তিন জন ভর্তি রয়েছেন। এদের মধ্যে দুই জন নিউরোসার্জারি বিভাগে, অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগে একজন ও একজন ক্যাজুয়ালটি বিভাগে।’ তিনি বলেন, ‘এদের মধ্যে দুই জনের অপারেশন করা হয়েছে। বাকিদেরকেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
ডা. আলাউদ্দিন বলেন, ‘বেশীর ভাগ রোগীর কাচের কাটাসহ হেড ইনজুরি রয়েছে। শামীম নামে আরেক রোগীকে নিউরো সার্জারিতে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে জানতে পেরেছি, সোমবার দুপুরের দিকে ভর্তির ফাইল রেখে তিনি চলে গেছেন।’
অপরদিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শংকর পাল বলেন, ‘আমাদের এখানে পাঁচ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে তিন জনই আইসিইউতে আছেন। তাদের শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এই তিন জনের অব