বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জার্মানি উপকূলে আঘাত হেনেছে ‘অর্ণব’, দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫)

বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর বিধিনিষেধ, ঘর থেকে বের হলে যে শাস্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঊর্দ্বমুখী হওয়ায় সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার ভোর ৬ টা থেকে শুরু হচ্ছে এই কঠোর বিধিনিষেধ। ৭ দিনের এই লকডাউনে কেউ বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বাইরে বের হলেই কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে সরকার এক তথ্য বিবরণীতে জানিয়েছে।

সরকারি আদেশ অমান্য করে বাইরে বের হলে কী শাস্তি-এই প্রশ্ন এখন মুখে মুখে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৮ সালের সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইন প্রয়োগ করতেও বাধা নেই লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে।

‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮ এর ১৬ (গ) ধারার বিধিনিষেধ অনুযায়ী, কোনো স্থানে জন সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ বা সীমিত করণ করে বা ১৪৪ ধারা জারি করে জনবিচ্ছিন্ন করতে পারে। কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘আইসোলেশন’, ‘কোয়ারেন্টিন’ ও ‘লকডাউন’ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে এই আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নজরুল ইসলাম বলেন, সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮ এর ১১ (২) ধারা অনুযায়ী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারী কোনো এলাকা লকডাউন ঘোষণা করতে পারেন। ১৬ (ক) ধারা অনুযায়ী সন্দেহজনক স্থান জীবাণুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট স্থানে জনসাধারণের প্রবেশ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিতকরণও করা যায়।

কোনো ব্যক্তি যদি লকডাউন না মেনে সংক্রামণ ছড়ায় তাহলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা বা ছয় মাসের জেল দিতে পারবেন। এছাড়া আইনের ২৫(৩) ধারা অনুযায়ী, সংক্রামণ নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তাকে কোনো ব্যক্তি যদি দায়িত্ব পালনে বাধা দেন বা নির্দেশ পালনে অসম্মতি জ্ঞাপন করেন তাহলে তাকে তিন মাসের জেল বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন।

অ্যাডভোকেট নজরুল আরও বলেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইন-২০১৮ এর ২৪(২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সংক্রামণ জীবানুর বিস্তার ঘটান বা বিস্তার ঘটাতে সহায়তা করেন তাহলে তিনি অনূর্ধ্ব ছয় মাসের কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এই সাজা দেবেন ভ্রাম্যমান আদালত।

সরকারি তথ্য বিবরণে মঙ্গলবার বলা হয়, জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচল এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বন্ধের বিষয়ে à¦