মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

চীনে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদের জায়গায় হোটেল নির্মাণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নির্দেশে উইঘুরদের অন্তর্গত একটি মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছে। এখন এই ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদের স্থানে হিলটন হোটেল নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে চীনা সরকার।

মসজিদের স্থানে হোটেল নির্মাণের পরিকল্পনার খবর প্রকাশের পর মুসলমানেরা তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে। এই খবরটি সর্বপ্রথম টেলিগ্রাফ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত খবরে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে, শিনচিয়াং প্রদেশের হুটান শহরে ধ্বংসপ্রাপ্ত “দুলিং মসজিদের” জায়গায় হিলটন হোটেল নির্মাণ করা হবে।

এই হোটেলটি হিলটন ওয়ার্ল্ডওয়াইড হোল্ডিংস ইন হোটেল কমপ্লেক্সের অংশ যা এক চীনা বিনিয়োগকারী তৈরি করতে চাচ্ছে।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হিল্টনের ওয়েবসাইটে পর্যালোচনা করে জানা গেছে যে শিনচিয়াং প্রদেশে হিলটন গ্রুপের মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি সম্পত্তি রয়েছে।

এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস কাউন্সিলের (CAIR) তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এই কাউন্সিল নিজস্ব ওয়েবসাইটে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে লিখেছিল: হিলটন কোম্পানি যদি ভেঙে দেওয়া মসজিদের জায়গায় হোটেল নির্মাণ করে, তাহলে এটি চীন সরকারকে উইঘুরদের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক নির্মূলীকরণে সহায়তা করবে। উইঘুরদের নির্মূল করতে সহায়তা করার অর্থ হচ্ছে তাদের গণহত্যা করতে সহায়তা করা।

হুটান শহরের “দুলিং মসজিদ”টি ২০১৮ সালে ধ্বংস করা হয়েছে। স্যাটেলাইট থেক ধারণকৃত ছবিতে দেখা গিয়েছে, একটি বুলডোজার দ্বারা মসজিদটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছ।

হুতান শহরটি শিনচিয়াং প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এই শহরের জনসংখ্যা প্রায় ৫ লাখ এবং অধিকাংশ জনসংখ্যা মুসলমান।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ