বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হরমুজের পর লোহিত সাগরও বন্ধের হুমকি ইরানের তফসিল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রেরণের নির্দেশ ইসির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে’  ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ জুলাই শহীদদের স্মরণে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ শিশুদের ক্যানসার হাসপাতালের নিকটে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ ইরানের ‘সংস্কার বাস্তবায়ন না হওয়া আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল’ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ

মুক্তি পেয়েছেন গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফি মুক্তি পেয়েছেন। সাদি গাদ্দাফিকে লিবিয়া কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছিল নাইজার। ২০১৪ সালে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। লিবিয়ার এক কর্মকর্তা রোববার তার মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর রয়টার্সের।

২০১১ সালে গণ-আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন একদল বিদ্রোহী নেতা গাদ্দাফিকে আটকের পর হত্যা করে। সে সময় তার ছেলে সাদি গাদ্দাফি সাহারা মরুভূমি হয়ে নাইজারে পালিয়ে যান। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তাকে আশ্রয় দেয় নাইজার কর্তৃপক্ষ। তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য নাইজার কর্তৃপক্ষকে বারবার আহ্বান জানায় লিবিয়া সরকার। পরে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

২০১৮ সালে লিবিয়ার বিচার মন্ত্রণালয় জানায়, ‘সাদি গাদ্দাফিকে হত্যা, প্রতারণা, হুমকি, দাসত্ব এবং সাবেক খেলোয়াড় বশির রায়ানির মানহানির জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।’

সাদি একজন ফুটবল খেলোয়াড় এবং লিবিয়ার ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক প্রধানও ছিলেন।

গত জুলাই মাসে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, সাদির ভাই, গাদ্দাফির আরেক ছেলে সাইফ আল-ইসলাম এক সাক্ষাতকারে বলেন, তিনি ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। মুয়াম্মার গাদ্দাফির মৃত্যুর পর ২০১৫ সালে সাইফের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ২০১৭ সালে বিদ্রোহীদের কবল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সাইফকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

গাদ্দাফিবিরোধী আন্দোলন চলাকালে বিদ্রোহীদের হাতে তার সাত ছেলের মধ্যে তিনজন নিহত হন।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ