সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পাঁচ দিনের সফরে মিশরে গেলেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান সৌদিতে বজ্রপাতে বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত হুথিদের পাঁচ সুড়ঙ্গ ও চার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্রে হামলার দাবি সৌদির কাকরাইল তাবলীগ মারকাজের প্রবীণ মুরব্বি ডাক্তার সাইফুদ্দিন আর নেই রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২, মামলা ৪৩ বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের মাদকদ্রব্য বিক্রি করে উপার্জন করা কি জায়েয? গভীর রাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা খুতবায় মানবপাচারের ঝুকিঁ তুলে ধরার আহ্বান ইফা মহাপরিচালকের

কারামুক্তির পর তুরস্কে অবস্থান করছেন মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: লিবিয়ার পরলোকগত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফি কারামুক্তির পর তুরস্কে আছেন। শুক্রবার তার পরিবারের মুখপাত্র এ তথ্য জানান। তবে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

২০১১ সালে লিবিয়ায় গণ-আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন একদল বিদ্রোহী গাদ্দাফিকে আটকের পর হত্যা করে। সে সময় তার ছেলে সাদি নাইজারে পালিয়ে যান। ২০১৪ সালে লিবিয়া সরকারের আহ্বানে তাকে দেশটির কাছে ফিরিয়ে দেয় নাইজার। তারপর থেকে তিনি কারাবন্দী ছিলেন।

সাদি ইতালির পেশাদার ফুটবলার ছিলেন।

গত সপ্তাহে ত্রিপোলির কারাগার থেকে সাদির সাথে আরো অনেকে মুক্তি পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন গাদ্দাফির সাবেক মন্ত্রিসভার সদস্য ও গোয়েন্দা প্রধান আহমেদ রমাদান।

লিবিয়ার সাবেক তথ্যমন্ত্রী মুসা ইব্রাহিম এখনো গাদ্দাফি পরিবারের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি তুরস্কের হাবারলারডটকম নিউজসাইটকে বলেন, সাদি তার পরিবারের সাথে তুরস্কে আছেন। তিনি আরো বলেন, সাদিকে মিসর ও সৌদি আরবও স্বাগত জানিয়েছে। তুরস্কও জানিয়েছে। সাদির দিকে সবাই মিলে যৌক্তিক কারণে তুরস্কের পক্ষেই মত দিয়েছেন। সাদিও সেখানে যেতে চাইছিলেন। পরে সব ব্যবস্থা করা হয়।

সাদির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত করার পাশাপাশি ২০০৫ সালে লিবিয়ার ফুটবল কোচ বশির আল-রায়ানিকে হত্যা। পরে ২০১৮ সালের এপ্রিলে তাকে হত্যার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন আদালত।

২০১১ সালে গাদ্দাফি হত্যার পর থেকেই গন্ডগোল চলছে লিবিয়ায়। তখন থেকে দেশটির ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে নামে বিরোধী দলগুলো। পরে ২০২০ সালে অস্ত্রবিরতির মধ্য দিয়ে তাদের সংঘাত থামে, খুলে যায় শান্তি আলোচনার পথ। চলতি বছরের মার্চে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে লিবিয়া। আগামী ডিসেম্বরে দেশটিতে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ