বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাজীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ১১ বসতঘর হবিগঞ্জে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ আগামীকাল বায়তুল মোকাররমে জুমা-পূর্ব আলোচনা করবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী বন্যাদুর্গতদের জন্য জুলাইয়ে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় বন্ধের উদ্যোগ হরমুজের পর লোহিত সাগরও বন্ধের হুমকি ইরানের তফসিল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রেরণের নির্দেশ ইসির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে’  ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ জুলাই শহীদদের স্মরণে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

আফগানিস্তানে ১০ লাখ শিশু মারা যেতে পারে: জাতিসংঘ মহাসচিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চলতি বছর আফগানিস্তানে ১০ লাখ শিশু ভয়াবহ পুষ্টিহীনতায় আক্রান্ত হয়ে মারা যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

তিনি বলেন, ‘শীত আসার আগেই আফগানিস্তানের লাখ লাখ মানুষের খাবার ফুরিয়ে যেতে পারে। তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানো না গেলে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে প্রায় ১০ লাখ শিশু মারাও পড়তে পারে।’

সোমবার জেনিভায় জাতিসংঘের এক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে আফগান সংকট নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি এসব বলেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।

গুতেরেস বলেন, ‘তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে দেশটিতে দারিদ্র্যের হার হু হু করে বাড়ছে। জনসাধারণের জন্য থাকা সাধারণ সরকারি পরিষেবাগুলো ধ্বংসের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। বছরের পর বছর ধরে চলা যুদ্ধে অনেকে ঘরহারাও হয়েছেন। কয়েক দশকের যুদ্ধ, দুর্ভোগ আর নিরাপত্তাহীনতার পর আফগানরা সম্ভবত তাদের সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়ের মুখোমুখি। ‘

জাতিসংঘের মহাসচিব বলেছেন, এখন প্রতি ৩ আফগানের একজন জানেন না, পরের বেলার খাবার কোথায় মিলবে। সোমবার জেনিভাসময় সন্ধ্যার দিকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গুতেরেস জানান, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আফগানিস্তানে ১০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের জরুরি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড আফগানিস্তানে খাদ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাতে করা নতুন তহবিলে ৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলছেন, আফগানিস্তানের শিশুদের ঝুঁকিই এখন সবচেয়ে বেশি। ঝড়ের গতিতে মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্য তালেবান যোদ্ধারা দেশের সিংহভাগের নিয়ন্ত্রণে নিলেও তার আগে থেকেই খরার কারণে সৃষ্ট খাদ্য সংকট মোকাবেলায় আফগানিস্তানকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল।

দুর্যোগের কারণে দেশটি ৪০ শতাংশ ফসল হারিয়েছে বলে অনুমান বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির। গমের দাম বেড়ে গেছে ২৫ শতাংশ। দাতা সংস্থাগুলোর মজুদে থাকা খাবারও চলতি মাসের শেষ নাগাদ ফুরিয়ে যেতে পারে।

যুদ্ধের দুর্ভোগ, জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা- এসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তালেবান ক্ষমতাসীন হওয়ায় সৃষ্ট অনিশ্চয়তা। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে গত কয়েক সপ্তাহে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার অনেক কর্মীই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি ছেড়ে পালিয়েছেন। যারা আছেন, তালেবানের নিয়মকানুনে তারাও যে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ