রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পার্কিংয়ে পড়ে থাকা গাড়ি সরাতে দারুল উলুম দেওবন্দের কড়া নির্দেশ মক্কা-মদিনায় হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নিন্দা শায়খ সুদাইসের মাদরাসা প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রীর বক্তব্যের ‘বিকৃতি’, প্রতিবাদ জানাল ধর্ম মন্ত্রণালয় মাদরাসায় শিশু নিপীড়ন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ চান শায়খ আহমাদুল্লাহ ঢাকা থেকে ফেরার পথে খুন বরুণা মাদরাসার শিক্ষক মালয়েশিয়ার কেলাংয়ে আমিরে মজলিসের সমাবেশ, নতুন কমিটি গঠন পাকিস্তান তাবলিগের প্রবীণ মুরব্বি মাওলানা হাবিবুল হকের ইন্তেকাল দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা 

প্রতিমাসে ৩ কোটি টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দেশে করোনা ভাইরাস টিকার কোনও অভাব হবে না বলে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, প্রতি মাসে তিন কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সেই সঙ্গে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৫০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে।

বুধবার (২০ অক্টোবর) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা-ইউএইচএফপিওদের সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘দেশে ১৮ বছরের ওপরে যারা রয়েছেন, তাদের সবাইকে টিকা দেওয়া হবে।’ এছাড়া স্কুলশিক্ষার্থী ১২ থেকে ১৭ বছরের যারা রয়েছে, তাদেরও টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন নির্দেশনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা অতি তাড়াতাড়ি সেই কাজটিও শুরু করবো। আর ক্রমান্বয়ে দেশের সব মানুষই টিকা পাবে।’

দেশে ইতোমধ্যে করোনা ভাইরাসের ছয় কোটি টিকা দেওয়া শেষ হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। আর স্কুল শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন হয়ে গেলে তারাও টিকা পাবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এরপর প্রতিমাসে তিন কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।’

সেই সঙ্গে এখন থেকে প্রতিমাসে দেশে অন্তত তিন কোটি ডোজ টিকা আসবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চীনের সিনোফার্মের ভ্যাকসিন চুক্তি অনুযায়ী চলে আসছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে চুক্তি অনুযায়ী, আরও ভ্যাকসিন আসা শুরু হয়ে গেছে। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের ভ্যাকসিনও চলে আসছে। কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় ফাইজার, মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনও দেশে আসছে। আমরাও ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছি—স্বাস্থ্য খাত চাইলে একদিনে ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিনও দেওয়া সম্ভব। কাজেই চাহিদা অনুযায়ী, এখন থেকে দেশে প্রতিমাসে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন চলে এলে আমরা সেগুলো ভালোভাবেই মানুষকে দিতে সক্ষম হবো।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘করোনার থার্ড ওয়েভ (তৃতীয় ঢেউ) আসুক, এইটা আমরা চাই না। অনেক দেশে সরকার বদল হয়েছে করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে, কিন্তু বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছে।’

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ