রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মালয়েশিয়ার কেলাংয়ে আমিরে মজলিসের সমাবেশ, নতুন কমিটি গঠন পাকিস্তান তাবলিগের প্রবীণ মুরব্বি মাওলানা হাবিবুল হকের ইন্তেকাল দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের

নতুন সেনাবাহিনী তৈরির পরিকল্পনা ইইউ-র পাঁচটি দেশের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নতুন সেনাবাহিনী তৈরির পরিকল্পনা ইইউ-র পাঁচটি দেশেরআফগানিস্তানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দেখে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভিতরে নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী করা প্রয়োজন বলে মনে করছে ইউরোপের একাধিক দেশ।

সে কথা মাথায় রেখেই জার্মানি, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস-সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাঁচটি দেশ একটি নতুন সেনাবাহিনী তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জার্মানি, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল এবং স্লোভেনিয়া জানিয়েছে পাঁচটি দেশ একত্রে একটি সেনাবাহিনী বা অ্যাকশন ফোর্স তৈরির পরিকল্পনা করেছে। দুইটি ভাগে বিভক্ত সেই বাহিনীর একেকটি উইংয়ে দেড় হাজার করে সেনা থাকবে।

প্রতিটি দেশ থেকেই সেনা অংশগ্রহণ থাকবে। যার একটি উইং সবসময় স্ট্যান্ডবাই থাকবে। কোনো সমস্যা হলেই তারা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে। শুধু ভূমিযুদ্ধই নয়, সাইবার যুদ্ধেও এই সেনা পারদর্শী হবে বলে ওই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে। পাঁচটি দেশই নতুন এই বাহিনী নিয়ে আশাবাদী।

বস্তুত, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংবিধানের ৪৪ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, চাইলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশ এ ধরনের ফোর্স তৈরি করতে পারে।

কিন্তু সে ক্ষেত্রে অন্য দেশগুলির সবুজসংকেত লাগবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে এই বিষয়টি ওঠানো হলে বাহনীটিকে আরো বড় করা যেতে পারে বলেও প্রস্তাব আসতে পারে। জার্মান সংবাদসংস্থা ডিপিএ এই খবর প্রচার করার পর জার্মান সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী। প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেছেন, এই ফোর্স গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে ন্যাটো ফোর্সের বিকল্প ফোর্স হিসেবে এই ফোর্সটিকে দেখতে তিনি রাজি নন।

জার্মানির বামপন্থী দল অবশ্য এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। তারা বলেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সামরিক শক্তি নয়। মানবাধিকারের বিষয় নিয়েই তাদের কাজ করা উচিত। নতুন বাহিনী তৈরির কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। যেভাবে আফগান পরিস্থিতিকে সামনে রেখে এই প্রস্তাব আনা হয়েছে, তারও বিরোধিতা করেছে বামপন্থী দল। সূত্র: রয়টার্স।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ