শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক হাদিস শিক্ষায় উচ্চতর প্রশিক্ষণে তুরস্কের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শামায়েল নদভীর চুক্তি কুমিল্লায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত নেপালের বন্যায় ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৯৭ বছরের বৃদ্ধা নিজ উপজেলায় সংবর্ধনা পেলেন বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়া নেত্রকোনার বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

সুগন্ধার পাড়ে নিখোঁজদের খোঁজে দিশেহারা স্বজনরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সুগন্ধার পাড়ে দিগ্বিদিগ হয়ে ছুটছেন সুমন মিয়া। ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে বরগুনা আসছিলেন তার স্ত্রী সন্তানসহ চারজন। হতবিহ্বল হয়ে বার বার পোড়া লঞ্চ ও এর আশপাশে খুঁজে চলেছেন তিনি।

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন তার স্ত্রী তাসলিমা, কন্যা সুমাইয়া আক্তার মিম, সুমনা আক্তার তানিশা ও ছেলে জুনায়দে। নিখোঁজ সবার বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের মোল্লার হোড়া গ্রামে।

শিমুল বলেন, আমার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরা ঢাকায় থাকত। বেড়াতে বরগুনা আসছিল। রাত ৩টা ১০ মিনিটে মোবাইলে জানায় তাদের লঞ্চে আগুন ধরেছে । তারা সবাই বাঁচার জন্য ছোটাছুটি করছে। কথা বলতে বলতেই মোবাইলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর একাধিকবার ফোন দিয়েও আর তাদের পাওয়া যায়নি। এরপর খবরে জানতে পেরে তাৎক্ষণিক এখানে ছুটে এসেছি। কিন্তু কোথাও তাদের খুঁজে পাইনি। তারা আদৌ বেঁচে আছে না মরে গেছে তাও বলতে পারছি না।

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিজের ছোট সন্তানকে নিয়ে বেঁচে ফিরেছেন সোনিয়া বেগম। ঢাকা থেকে চারজন ফিরছিলেন তারা। ছোট ছেলেকে বাঁচাতে পারলেও নিখোঁজ রয়েছে তার বড় ছেলে জুনায়েদ ও মা রেবা বেগম। সোনিয়ার বাড়ি বরগুনার তালতলী উপজেলার জাকিরতবক এলাকায়।

সোনিয়া বেগম বলেন, রাতে সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দে আগুন লাগলে সবাই হুড়োহুড়ি শুরু করে। অন্যদের দেখে তারাও ছোটাছুটি শুরু করেন। এরপর আর তার মা ও ছেলের সঙ্গে দেখা হয়নি। তিনি কোনোমতে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ছোট ছেলেকে নিয়ে তীরে উঠতে পারলেও তার ছেলে আর মায়ের সন্ধান মেলেনি এখনো।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ