মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘গত ১৬ বছরে দেশে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে, দুর্নীতিবাজদের বিচার ধীরে ধীরে হবে’ সাংবাদিকদের একাংশকে কুত্তার মতো পেটানো দরকার: এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ৩৯ হাজার আখচাষিকে প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় কানিজ নেওয়াজ মাদরাসায় ১১ পদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ মসজিদুল হারামে তাওয়াফ-সাঈতে বৈদ্যুতিক যানের ভাড়া কত যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে ইসলামের পথে বন্দীরা, কী বলছে গবেষণা? আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ইসলাহি ইজতেমা সফল করতে কেরানীগঞ্জে আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময় এশার জামাতে তৃতীয় রাকাতের সেজদায় গিয়ে আর উঠলেন না তিনি নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিলে পীর সাহেব চরমোনাই ‘শিগগিরই প্যারিস মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ শহর হবে’, মন্তব্য ট্রাম্পের

ঈদের পর দেশব্যাপী জেলা পরিষদ নির্বাচন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চেয়ারম্যানদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া বাকি ৬১টি জেলা পরিষদ গত রোববার হঠাৎ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এখন নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানে প্রশাসক বসানোর কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। জেলা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাদের নাম প্রস্তাব করে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হচ্ছে।

এদিকে জেলা পরিষদে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে গত সোমবার চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ঈদের আগেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ঈদের পর নির্বাচন হবে। ফলে প্রশাসক হতে যেমন কেউ কেউ তদবির করছেন, অন্যদিকে চেয়ারম্যান পদেও মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। প্রশাসক পদে দায়িত্ব পালন অবস্থায় কেউ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের সুযোগ পাবেন না।

স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রশাসক নিয়োগের জন্য নামের তালিকা আসা শুরু হয়েছে। এসব নাম থেকে

প্রধানমন্ত্রী যাদের মনোনীত করবেন তাদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। তবে প্রশাসকরা খুব বেশিদিন চেয়ারে বসার সুযোগ পাবেন না। কারণ ঈদের পরপরই হয়তো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এমনিতেও প্রশাসকের মেয়াদ কোনোভাবেই ১৮০ দিনের বেশি হবে না। ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কাজে হাত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জেলা পরিষদের ভোটার হলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর। জেলা পরিষদ নির্বাচনে যারা প্রার্থী তারা ভোটার নন। অর্থাৎ, তারা নিজেরা নিজেদের ভোট দিতে পারেন না।

এদিকে গত রোববার হঠাৎ পরিষদ ভেঙে দেওয়ায় অনেক চেয়ারম্যানেরই মন খারাপ হয়েছে। কারণ তাদের নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও কেমব্রিজ বিশ্বিবদ্যালয়ে জেলা পরিষদ সংক্রান্ত কার্যক্রমের ওপর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছিল স্থানীয় সরকার। এ সংক্রান্ত সার-সংক্ষেপে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদনও দিয়েছিলেন। পরিষদ বিলুপ্ত হওয়ায় চেয়ারম্যানরা ইউরোপ সফর থেকে বঞ্চিত হলেন। এ নিয়ে চেয়ারম্যানদের কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে পরিষদ বিলুপ্ত হওয়ার পর জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা (সিইও) চালিয়ে নিচ্ছেন। তবে নতুন কোনো প্রকল্পের কাজে তারা হাত দিতে পারবেন না। মূলত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়া এবং প্রশাসনিক রুটিন কাজগুলোই দেখভাল করছেন বলে জানিয়েছেন একজন সিইও। এ পদে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের উপসচিবরা দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলা