শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক হাদিস শিক্ষায় উচ্চতর প্রশিক্ষণে তুরস্কের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শামায়েল নদভীর চুক্তি কুমিল্লায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত নেপালের বন্যায় ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৯৭ বছরের বৃদ্ধা নিজ উপজেলায় সংবর্ধনা পেলেন বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়া নেত্রকোনার বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে অপপ্রচার

ফিলিস্তিনিদের ৭৪তম ‘নাকবা’ দিবস আজ, তাদের সাথে কী ঘটেছিল সেদিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আজ ১৫ মে। ঐতিহাসিক ‘নাকবা’ দিবস। ১৯৪৮ সালের পর থেকে প্রতি বছর এই দিনটিকে অত্যন্ত দুঃখভরে স্মরণ করেন ফিলিস্তিনিরা। কেননা, ফিলিস্তিনিদের জন্য দিনটি অবমাননা ও বিপর্যয়ের।

‘নাকবা’ আরবি শব্দ। বাংলা তরজমা করলে এর অর্থ দাঁড়ায় ‘বিপর্যয়, দুর্ঘটনা ও দুর্ভাগ্য’। ৭৪ বছর আগে ১৯৪৮ সালের ১৫ মে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হয়। তাদের ভূখণ্ড দখল করে অবৈধভাবে ইসরাইল নামের একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়। আর এই অবৈধ ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করতে ও ইহুদি বসতি স্থাপন করতে ৭ লাখ ৫০ হাজার সাধারণ ফিলিস্তিনিকে তাদের জন্মভূমি থেকে জোর করে উচ্ছেদ করা হয়।

সেই থেকে দিনটিকে ফিলিস্তিনিরা ভাগ্য-বিপর্যয়ের দিন হিসেবে দেখে এবং বিপর্যয় তথা ‘নাকবা’ দিবস হিসেবে পালন করে। এরপর প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাদের স্বাধীকার লড়াই চলছে।

বিশ্লেষকেরা বলেন, নাকবা দিয়ে মূলত ফিলিস্তিনি জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের ওপর জাতিগত নিধন বোঝানো হয়। ফিলিস্তিনিদের হত্যা ও তাড়িয়ে দিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৭০টির মতো গণহত্যা চালিয়েছে ইসরাইলিরা।

নিজেদের জন্মভূমি ফিরে পেতে আজও লড়াই করছে ফিলিস্তিনিরা। সেদিন যাদের বাপ-দাদার ভিটে থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে, তারা আর কখনো সেখানে ফিরে যেতে পারেননি। ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাদের বংশধরেরা গাজা, পশ্চিমতীর ও বিভিন্ন দেশের শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন। ফিলিস্তিনি জনসংখ্যার ৭৪ শতাংশ বর্তমানে শরণার্থী জীবনযাপন করছেন। সূত্র: আলকুদস

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ