সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

৪৫০ বছর আগের বটগাছ ঘেরা প্রাচীন মসজিদের সন্ধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বগুড়ার কাহালু উপজেলার বোরতা গ্রামে ৫০ বছর আগেও যেখানে ঝোপঝাড় ছিল। সেখানে এখন দৃশ্যমান বটগাছ ঘেরা প্রাচীন একটি মসজিদ! বগুড়ার কাহালু উপজেলার বোরতা গ্রামে অবস্থিত মসজিদটি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন অনেকেই।

গতকাল রোবরার (৫ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, মসজিদটি রূপান্তরিত হয়েছে বটগাছে। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ২৫ ফুটি, প্রস্থ ১৩ ফুট। ৩ গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদটিতে বড়জোর ১০ থেকে ১২ জন মুসল্লি নামাজ পড়তে পারতেন।

এতে ইমাম দাঁড়ানোর জায়গাটি প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। ৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের ও ২ ইঞ্চি প্রস্থের এক ধরনের ইট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে মসজিদটি। স্থানীয়দের কেউ কেউ মন্তব্য করে বলেন, এই স্থাপনাটি ৪৫০ বছর আগের, কেউবা বলেন ১ হাজার বছর আগের, আবার অনেকেই বলেন কত আগের হবে সে তথ্য দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

বর্তমানে সেখানে নামাজ পড়ার কোনো অবস্থা নেই। তবে এটাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ঈদগাহ মাঠ। মসজিদটির অদূরেই রয়েছে একটি কবর। সেটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ থেকে ১৪ ফুট। মসজিদটির দেয়ালে চুন-সুড়কি দিয়ে ছোট ছোট ইট গাঁথা আছে। বটগাছটির শেকড়ে ছেয়ে গেছে পুরো মসজিদ।

ভেতরে কিছু রঙিন আলপনা রয়েছে। পুরনো হওয়ায় এখানে নামাজ পড়ার কোনো পরিবেশ নেই। ৮০ বছর বয়সী স্থানীয় আব্দুল হামিদ বাংলানিউজকে জানান, ৫০ বছর আগে এখানে ঝোপঝাড় ছিল। ঝোপঝাড়ের আড়ালে বড় বটগাছটিই শুধু দেখা যেতো। তাদেরও মুরুব্বিরা বলতেন এর ভেতরে একটি মসজিদ আছে। পরে এলাকাবাসী ঝোপঝাড় পরিষ্কার করলে দেখা মেলে মসজিদটি। তিনটি মিনারের দুটি ঠিক থাকলেও একটি নষ্ট হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, এটিকে কেন্দ্র করে এর সামনেই ২৩ শতক (স্থানীয় পরিমাপ) জায়গার ওপর গড়ে উঠেছে ঈদগাহ মাঠ। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দুটি নামাজে দূর-দূরান্ত থেকে মুসল্লিরা আসেন এখানে। এখনো মসজিদের পূর্ব ও উত্তর দিকের শতাধিক গজ পর্যন্ত যে কোনো স্থান খুঁড়লেই বেরিয়ে আসে পুরনো মাটির পাতিল, চুলা, কলস ও সে সময়কার পানি রাখার বড় পাত্রসহ নানা ধরনের প্রত্নসামগ্রী।

স্থানীয়দের মতে, মসজিদের পাশেই যে বড় একটি পুকুর রয়েছে তাতে অনেক মাছ দেখা গেলেও পানি নিষ্কাশনের পর কোনো মাছ পাওয়া যায় না। সেখানকার গাছের ডাল কিংবা ইট-পাথর যাই হোক কোনো কিছুই কেউ নিয়ে যেতে পারে না। আবার সন্ধ্যার পর এখানে কেউ আসে না।

ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারিভাবে মসজিদটি সংস্কার করা দরকার বলে মনে করেন স্থানীয় লোকরা। এছাড়া মসজিদ থেকে মূল রাস্তা পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা রয়েছে সেটি পাকা করে পর