মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭ জেলায় পানিবন্দি দেড় লক্ষাধিক পরিবার, অর্ধশতাধিক নিহত আজও রাজশাহীতে সারাদেশের বাস চলাচল বন্ধ ফের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মতপার্থক্য থাকতেই পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়: প্রধানমন্ত্রী বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ

নবীর স্ত্রী কাফের কেনো? হজরত থানবী রহ. যে উত্তর দিয়েছিলেন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের

আল্লামা থানবী রাহিমাহুল্লাহু তাআলার কাছে একলোক প্রশ্ন করলো, হযরত! অনেক নবীদের স্ত্রী কাফের ছিলো এই বিষয়টি কী দোষণীয় নয়?

এই প্রশ্নের উত্তরে আল্লামা থানবী রাহিমাহুল্লাহু তাআলা বললেন, দেখুন! আল্লাহ তাআলা নবীগণকে এমন দোষত্রুটি থেকেও পবিত্র রাখেন, যে দোষটি সামাজিকভাবে দোষ।

এর কারণ হলো, নবীগণের দায়িত্ব হলো, দীনের তাবলীগের কাজ। আর তাবলীগের কাজ লোকজনের উপর প্রভাব ফেলার জন্যে জরুরী হলো, মুবাল্লিগণের প্রতি লোকজনের মহত্ব ও বড়ত্ব ফুটে ওঠা।

লোকজনের অন্তরে তাঁদের সম্মান—মর্যাদা থাকা। আর এইসব গুণ সামাজিক যে দোষে নষ্ট হয়ে যায়, সামাজিক সেই দোষগুলোর মধ্যে একটি দোষ হলো, স্ত্রী বদমেজাযী হওয়া। ব্যভিচারী হওয়া। নির্ললজ্জ হওয়া। এই কারণে আল্লাহ তাআলা নবীগণকে এই সামাজিক দোষ থেকে হেফাজত করেছেন।

কোন নবীর স্ত্রী এই দোষে দোষী ছিলো না। তবে অনেক নবীর স্ত্রী যে কাফের ছিলো সেটি সামাজিকভাবে দোষের কিছুই ছিলো না। কারণ, তখন পরিবেশ ও সামাজিকভাবে কুফুরকে দোষের কিছু মনে করা হতো না। কারণ, তাদের কাছে ইসলাম গ্রহণ করাটা ছিলো পরিবেশ ও

সামাজিকভাবে দোষের। এই কারণে অনেক নবীর স্ত্রী কাফের ছিলো। সুতরাং নবীগণের স্ত্রী কাফের হওয়া সেটি তাবলীগের কাজের প্রতিবন্ধক ছিলো না। [মূলসূত্র: আল-ইফাজাতুল ইয়াওমিয়্যা: খন্ড—৯, পৃষ্ঠা—২১]

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ