শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

নবীর স্ত্রী কাফের কেনো? হজরত থানবী রহ. যে উত্তর দিয়েছিলেন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের

আল্লামা থানবী রাহিমাহুল্লাহু তাআলার কাছে একলোক প্রশ্ন করলো, হযরত! অনেক নবীদের স্ত্রী কাফের ছিলো এই বিষয়টি কী দোষণীয় নয়?

এই প্রশ্নের উত্তরে আল্লামা থানবী রাহিমাহুল্লাহু তাআলা বললেন, দেখুন! আল্লাহ তাআলা নবীগণকে এমন দোষত্রুটি থেকেও পবিত্র রাখেন, যে দোষটি সামাজিকভাবে দোষ।

এর কারণ হলো, নবীগণের দায়িত্ব হলো, দীনের তাবলীগের কাজ। আর তাবলীগের কাজ লোকজনের উপর প্রভাব ফেলার জন্যে জরুরী হলো, মুবাল্লিগণের প্রতি লোকজনের মহত্ব ও বড়ত্ব ফুটে ওঠা।

লোকজনের অন্তরে তাঁদের সম্মান—মর্যাদা থাকা। আর এইসব গুণ সামাজিক যে দোষে নষ্ট হয়ে যায়, সামাজিক সেই দোষগুলোর মধ্যে একটি দোষ হলো, স্ত্রী বদমেজাযী হওয়া। ব্যভিচারী হওয়া। নির্ললজ্জ হওয়া। এই কারণে আল্লাহ তাআলা নবীগণকে এই সামাজিক দোষ থেকে হেফাজত করেছেন।

কোন নবীর স্ত্রী এই দোষে দোষী ছিলো না। তবে অনেক নবীর স্ত্রী যে কাফের ছিলো সেটি সামাজিকভাবে দোষের কিছুই ছিলো না। কারণ, তখন পরিবেশ ও সামাজিকভাবে কুফুরকে দোষের কিছু মনে করা হতো না। কারণ, তাদের কাছে ইসলাম গ্রহণ করাটা ছিলো পরিবেশ ও

সামাজিকভাবে দোষের। এই কারণে অনেক নবীর স্ত্রী কাফের ছিলো। সুতরাং নবীগণের স্ত্রী কাফের হওয়া সেটি তাবলীগের কাজের প্রতিবন্ধক ছিলো না। [মূলসূত্র: আল-ইফাজাতুল ইয়াওমিয়্যা: খন্ড—৯, পৃষ্ঠা—২১]

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ