মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘কৃত্রিম জলাবদ্ধতা’ তৈরির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী অমিত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার চিন্তা করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রীদের পরিবহন করতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ভুল দুই প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের পক্ষে সই কাতারের সাবেক আমিরের ইন্তেকালে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করলেন আমিরে মজলিস

ভারতে মোঘল আমলে নির্মিত আরেকটি মসজিদ সরানোর আবেদন করলেন হিন্দু নেতারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রফিকুল ইসলাম জসিম ।। ভারতের উত্তর প্রদেশের মথুরা থেকে এবার মুঘল আমলে তৈরি মিনা মসজিদ সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করা হল। মথুরার আদালতে এই আবেদন করা হয়েছে বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে। আবেদনকারীদের তরফে দাবি করা হয়েছে, শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি কমপ্লেক্সের পূর্ব দিকে ঠাকুর কেশব দেব জি মন্দিরের একটি অংশে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল।

জানা গিয়েছে, মথুরা আদালতে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার কোষাধ্যক্ষ দীনেশ শর্মা এই আবেদনটি করেছেন। মথুরায় সিভিল বিচারক জ্যোতি সিংহের আদালতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। শর্মা এর আগে ঈদগাহ স্থানান্তরের মামলা করেছিলেন। নতুন আবেদনে দীনেশ শর্মা কেশব দেব জি মহারাজের একজন শিষ্য বলে নিজেকে দাবি করেছেন।

আবেদনে তিনি বলেছেন, মামলার মূল উদ্দেশ্য হল ঠাকুর কেশব দেবজি মহারাজের সম্পত্তি রক্ষা করা। তিনি মথুরা শহরে ১৩.৩৭ একর জমির মালিক, যেখানে শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি অবস্থিত। আমরা এখন মিনা মসজিদের অপসারণ চেয়েছি। দেবতার মালিকানাধীন জমিতে ডিগ গেটে বৃন্দাবন রেললাইনের কাছে। এই মামলার শুনানির জন্য ২৬ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে শাহি মসজিদ ঈদগাহ স্থানান্তরের জন্য মথুরা আদালতে বেশ কয়েকটি আবেজন জমা পড়েছে। আবেদনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানে মন্দির চত্বরে শাহী ইদগাহ মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। আবেদনকারীরা ১৯৬৮ সালের ১২ অক্টোবর শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান সেবাসংঘ ও শাহি মসজিদ ঈদগাহের চুক্তির বিরোধিতা করেছেন। আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, এটির কোন আইনি বৈধতা নেই কারণ শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি ট্রাস্ট, মালিকানা এই চুক্তির পক্ষে ছিল না।

আবেদনকারীরা আরও জানিয়েছেন, মুঘল সম্রাট আরঙ্গজেব যেখানে একটি মন্দির ভেঙে দিয়েছিলেন সেই জায়গায় মসজিদটি তৈরি হয়েছিল। যদিও আবেদনকারীদের দাবি অস্বীকার করেছেন শাহি ঈদগাহ মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটি। তাদের দাবি,আবার মিথ্যা মামলা করা হল।যা কাল্পনিক,অবাস্তব। সূত্র: পিটিআই

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ