আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দেশের বৃহত্তম কওমী বোর্ডের মুরুব্বী ও কমিটির জিম্মাদারগণের সাংবিধানিক মিটিংয়ে বেফাকের প্রতিটি কাজে গতিশীলতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দৃঢ়প্রত্যয়। আল্লাহ্ তাআলার অসংখ্য অগণিত শুকরিয়া যে তিনি অভাজন গুনাহগারকে গত ২০ দিন বেফাকের মহাপরিচালক পরিচয়ে নগন্য কিছু খিদমত করার তওফীক দান করেছেন।
মনে মনে প্ল্যান করেছিলাম ১০০ দিনের। রোডম্যাপ ছিল ৬ মাসে বেফাককে বাংলাদেশের অন্যতম গতিশীল আদর্শ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হবে।
তবে আল্লাহ চেয়েছেন, বেফাক যেন অধম বান্দার আশা ও কল্পনার চেয়েও দ্রুত জাতির রোল মডেল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। ১০০ দিন পার হওয়ার পর বান্দা বেফাকের মুরব্বী এবং নেতা পর্যায়ে নিজ খিদমতের প্রতিবেদন পেশ করার ইচ্ছা রাখে।
তবে আকাবিরের নেক নজর, সহযোগিতা, দোয়া, হিম্মত আফযায়ি, ভরপুর সহযোগিতা বান্দাকে আপ্লুত ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। আমি তাঁদের প্রতি প্রসন্ন এবং কৃতজ্ঞ। জাযাহুমুল্লাহু তাআলা আহসানাল জাযা ফিদ্দা-রাইন।
প্রথমে দায়িত্ব নিয়ে যে ১০ টি টপ প্রায়োরিটি বেছে নিয়েছিলাম, এর ৭টি বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে। ৩টি আগামী দুই মাসের মধ্যে হবে ইনশাআল্লাহ।
আগে আমি বেফাকের শুরা ও আমেলার সদস্য ছিলাম। কাজের ক্ষমতা, অংশগ্রহণ ও অবাধ গতিশীলতার সুবিধার্থ গতকাল ১৬ নভেম্বরের ২০২২ মিটিংয়ে বেফাক নেতৃবৃন্দ একমত হয়ে এই অধমকে বেফাকের খাস কমিটি তথা এলিট স্টাণ্ডিং কমিটির অন্তর্ভুক্ত করে নেন। আলহামদুলিল্লাহ। আল হাইয়াতুল উলিয়ার স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য হিসাবেও এ অকিঞ্চিৎকর মনোনীত হয়েছে।
আমি কী বলে শুকরিয়া জানাবো ভাষা খুঁজে পাইনা। আমার মতো এক দুর্বল ব্যক্তির প্রতি বেফাক সভাপতি আল্লামা মাহমূদুল হাসান, সিনিয়র সহ সভাপতি আল্লামা সাজিদুর রহমান, সহ সভাপতি সর্বহযরত মুফতি মনসুর আহমদ, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা মুসলেহুদ্দীন গহরপুরী, মুফতি জাফর আহমদ, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ ফরীদি প্রমুখ সহসভাপতি ও মজলিসে খাসের সদস্যগণ, বিশেষ করে মহাসচিব মাওলানা মাহফুযুল হক (হাফিজাহুমুল্লাহ ওয়া রা'আহুম) সাহেবগণের মায়া মমতা, ইজ্জত আফযায়ি, কদরদানি ইহ জীবনে আমার সবকিছু দিলেও শোধ করতে পারবোনা। আমি খুশি, আমি মামনূন। বেফাকের সবাই মিলে আমাকে যেভাবে বরণ করে নিয়েছেন, এ আমার কৃতিত্ব নয়, এটি আমার প্রতি বেফাকের অতীত মুরব্বীদের দিলি তাওয়াজ্জুহ ও নেক দোয়ারই ফল।
আল্লাহ নেক হায়াত দান করে সুস্থ কর্মক্ষম রাখলে আমি আইডিয়া, কাজ à¦