সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

শীতকাল ইবাদতের সুবর্ণ মৌসুম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আলহাজ হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আজিজুল হক।।

আল্লাহ তায়ালা নিজ অনুগ্রহে আামদেরকে এমন একটি ভূখন্ড দান করেছেন,যেখানে ঋতুর সংখ্যা ছয়টি। তবে পব্রিত কুরআনে দুটি ঋতুর কথা উল্লেখ রয়েছে। সূরা কুরাইশে গ্রীষ্ম এবং শীতকালের কথা বলা হয়েছে। সিরিয়া ছিল ঠান্ডা ও সবুজ দেশ তাই কুরাইশগণ গ্রীষ্মকালে রিরিয়া সফর করত।

পক্ষান্তরে ইয়ামেন গনম দেশ ছিল বিধায় তারা শীতকালে সেখানে বানিজ্যিক সফর করত এবং মুনফা অর্জন করত। অধিকাংশ মানুষের কাছে গ্রীষ্মকালের তুলনায় শীতকাল অধিক প্রিয়। মুমিনের জন্য এটা ঋতুরাজ বসন্ত।

রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন,শীতকাল হলো মুমিনের বসন্তকাল। (মুসনাদে আহমাদ) শীতকালে ইবাদরেত বিশেষ সুবিধা থাকে। যেমন শীতকালে দিন ছোট হয় এবং সুর্যের প্রখরতা কম থাকে ফলে পানির পিপাসা লাগে না। তাই সহজেই শীতকালে রোযা রাখা যায়। অপরদিকে রাত হয় দীর্ঘ। একজন মানুষের স্বাভাবিক ঘুমের পরেও শীতকালে রাতের আরো কিছু অংশ বাকী থাকে। ফলে অতি সহজেই রাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে তথা শেষ রাতে তাহাজ্জতের নামায, কুরআন তেলাওয়াত, যিকির-আযকার,দোয়া-দরূদ ইত্যাদি আদায় করা যায়। শরীর ঘামে না, ক্লান্তি আসে না। শরীর ও মন থাকে সতেজ।

রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ ফরমান,শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ায় মুমির ব্যক্তি রাত্রিকালীন নফল নামায আদায় করতে পারে এবং দিন ছোট হওয়ায় মুমিন ব্যক্তি রোযা রাখতে পারে (বায়হাকী) হযরত আমের ইবনে মসউদ (রাঃ) হলেন,রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, শীতল গণিমত হচ্ছে, শীতকালে রোযা রাখা। (তিরমিযি)

সুতরাং কারো যদি কাযা রোযা বাকি থাকে তার উচিত এখনই তা আদায় করে নেওয়া। এছাড়া বেশি বেশি নফল রোযা রাখার এটি সুবর্ণ সুযোগ বটে। হাদীসে শীতকালের রোযাকে ‘শীতল গণিমত’ বা গণিমতে বারেদাহ বলা হয়েছে। কারন,কষ্ট ছাড়াই সাওয়াব হাসিল করা যায়। হযতর আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিলের জন্য একদিন রোযা রাখবে,আল্লাহ তায়ালা তাকে দোযখ থেকে এত দূরে রাখবেন,যেমন একটি কাক ভূমিষ্ঠ থেকে অতি বৃদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত যতদূর উড়তে পারে, ততদূরে অর্থাৎ বহু বহুদূরে। (মুসনাদে আহমদ) অন্য হাদীসে আছে,রোযাদারদের নিদ্রা ইবাদতের সমতুল্য,তার নীরব থাকা তাসবীহ পড়ার সমতুল্য,অর্থাৎ রোযাদার যদি চুপ থাকে তাতেও সুবহানল্লাহ পড়ার সমান সাওয়াব হবে।

রোযা অবস্থায় সামান্য ইবাদত করার সাওয়াব অন্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তার দুআ কবুল করা হয় এব গোনাহ মাফ করা হয়। (বায়হাকী) শীতকালে কিয়ামুল লাইল তথা সালাতুত তাহাজ্জদ ও রোযা রাখার পাশাপাশি সাধ্যমত শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আল্লাহ তায়ালা আমাকে শীত নিবর