মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে কাল বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত  বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘কৃত্রিম জলাবদ্ধতা’ তৈরির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী অমিত

আগামী মাসে ঢাকা সফরে আসছেন ভারতের বাণিজ্য সচিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আগামী মাসের শেষের দিকে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতের বাণিজ্য সচিব বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আজ বাসসকে জানায়, ‘বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমন্ত্রণ পাঠিয়েছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে ভারতের সম্মতি আশা করছে। এ বছরের মার্চ মাসের শেষের দিকে সফর শুরু হবে।’

সূত্র জানায়, আসন্ন বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের আলোচনায় সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ), বাংলাদেশী পাট ও পাটজাত পণ্যের ওপর থেকে এন্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার, কিছু বাংলাদেশী পণ্যের ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নিত্য পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বাণিজ্য সম্পর্কিত বিষয় প্রাধান্য পাবে।

সূত্র জানায়, একটি নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং সরবরাহ চেইন গড়ে তোলার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও জোরদার করতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ‘খুব শিগগির শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দুই দেশের বাণিজ্য সচিব পর্যায়ে সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল গত বছরের মার্চে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে। পরে বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিইপিএ বিষয়ে একটি যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চালানো হয়।

যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় পরামর্শ দেয়া হয় যে, সিইপিএ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের টেকসই বৃদ্ধিতে একটি শক্তিশালী ভিত্তি যোগাবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, জীবনযাত্রার মান বাড়াবে এবং বাংলাদেশ ও ভারতে ব্যাপক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করবে।

পরে দুই প্রতিবেশীর বৃহত্তর অর্থনৈতিক সুবিধার স্বার্থে উভয় দেশ সিইপিএ নিয়ে আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে নয়াদিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে চুক্তির বিষয়টি স্থান পায়। বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বৈঠকে নিজ নিজ পক্ষে নেতৃত্ব দেন।

এছাড়া গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে আলোচনায় সিইপিএ’র গুরুত্ব উঠে আসে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উভয় পক্ষের বাণিজ্য কর্মকর্তাদের বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের পর্যায়ে সিইপিএ নিয়ে আলোচনা দ্রুত ও যথাসময়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৯ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

বাংলাদেশ ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য হয়ে উঠেছে। রপ্তানি ২০২০-২১ সালের ৯.৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৬৬% বৃদ্ধি পেয়ে ২০২১-২২ সালে ১৬.১৫-এ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানিও গত কয়েক বছরে আকর্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি ২০২১ সালের ১.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিপরীতে ২০২২ সালে ১.৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ