সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার বরাদ্দকৃত অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশ ও জনগণের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী গণরায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: আমিরে মজলিস ‘হে কাবার মালিক! মক্কা-মদিনাকে হেফাজত করো’ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় প্রাণহানি, জমিয়তের শোক ও নিন্দা মালয়েশিয়ায় কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরাকে সংবর্ধনা দেবে সরকার

বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, চলমান ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০ বন্যাদুর্গত মানুষের (পরিবারের) মাঝে খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেজ বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল মাহফুজ আহমেদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত পাঁচ দিন ধরে কক্সবাজারের পেকুয়া, চকরিয়া ও বাঁশখালীর বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় গিয়ে এমন সব পরিবারের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যারা সংকোচ বা নানা কারণে ত্রাণ চাইতে পারেন না। এসব অসহায় মানুষের হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য তুলে দিতে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন।

মাহফুজ আহমেদ আরও জানান, শুধু খাদ্য সহায়তায় সীমাবদ্ধ না থেকে বন্যায় সম্পূর্ণ বা আংশিক বিধ্বস্ত বসতঘর পুনর্নির্মাণের উদ্যোগও নিয়েছে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশন। প্রাথমিক পর্যায়ে ২০টি ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে আরও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি দেশের সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্দশা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম গণমাধ্যমে আরও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরলে সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিরা এগিয়ে আসতে উৎসাহিত হবেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ