সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু

আবাসিক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সপরিবারে থাকার ব্যবস্থা করা জরুরি: শায়েখ নেছার আহমাদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
শায়খ নেছার আহমাদ আন নাছিরী। ছবি: আওয়ার ইসলাম গ্রাফিক্স

|| হাসান আল মাহমুদ ||

আবাসিক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সপরিবারে থাকার ব্যবস্থা করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের হিফজুল কুরআনে বারবার বিশ্বজয়ী প্রতিষ্ঠান মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শায়খ নেছার আহমাদ আন নাছিরী।

তিনি বলেন, আবাসিক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সপরিবারে থাকার ব্যবস্থা করা জরুরি।

আজ শুক্রবার (৩ জানুয়ারি ) আওয়ার ইসলামের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এমন দাবি করেন।

আবাসিক শিক্ষকদের স্বপরিবারে থাকার ব্যবস্থা রাখলে তার কল্যাণ কী হবে এ বিষয়ে তিনি বলেন, এতে করে শিক্ষকদের ছুটি দেওয়ার ঝামেলা কমবে। বেতন বাড়ানোর চাপ কমবে। শিক্ষক চলে যাওয়ার ভয় কমবে। দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকবে না। প্রতিষ্ঠানের ব্যয়ও তেমন বাড়বে না।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের এ সুবিধা দিলে তাদের মন ভালো থাকবে। তারা মাদরাসাকে নিজেদের মনে করবেন। নিজের মত করে পড়াবেন। চাকরি হারানোর ভয়ও থাকবে না।

আবসিক ব্যবস্থাপনাকে স্বাস্থ্যসম্মত করার গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা ছব্বিশ ঘন্টা থাকবে, তাদের অজু-গোসল, ইস্তিঞ্জার জায়গা পরিচ্ছন্ন রাখা চাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে। তাদের বাসস্থান, খাবার অবশ্যই যেন স্বাস্থ্যসম্মত হয়।

শিক্ষকদের বেতনের একটা স্কেল নির্ধারণ করা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

বিশ্বজয় করা হাফেজদের মেধাকে কাজে লাগানোর গুরুত্ব প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক হাফেজ গড়ার এই কারিগড় বলেন, আমাদের দেশের হিফজ শিক্ষার মান সারা বিশ্বে প্রথমে রয়েছে, আলহামুলিল্লাহ! সেই হিসেবে এটি দেশের জন্য বিশাল সুনামের বিষয় এবং এটি কওমি অঙ্গনের জন্য বিশাল বড় সফলতা। যারা বিশ্বজয় করবে তাদের জন্য সরকারি-বেসরকারি বা আমাদের কওমি শিক্ষাবোর্ড বেফাকের পক্ষ থেকেও কোন ফ্লাট ফরম নেই, যার কারণে বিশ্বজয় করা এই হাফেজরা বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান, আমাদের হারাতে হয় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া মেধাবীদের।

তিনি বলেন, সরকারিভাবেও দেশের স্বার্থে তাদের জন্য কিছু করা উচিত বলে আমি মনে করি।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ