মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে ইফা সড়কে প্রাণ গেল মেধাবী তরুণ আলেম মাহমুদ হাসান আরিফের স্বচ্ছতা বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার ডিজিটাল করছে বাংলাদেশ ব্যাংক দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনের সাধারণ সময় শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাসের শঙ্কা! হারামাইনের সাউন্ড সিস্টেম বদলে দেওয়ার কারিগর তুর্কি প্রকৌশলী পাল্টে গেল দাখিল-আলিমের ‘সাধারণ শাখা’র নাম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানত তোলা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

সংস্কার না করলে আমরা সংবিধান পুনর্লিখন করব: আমিরে মজলিস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: বিশেষ প্রতিনিধি

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট বাস্তবায়ন এবং একটি সুন্দর, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, দলীয়করণ, ফ্যাসিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, জুলাই সনদ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করা হলে তা সবার জন্য কল্যাণকর হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে যে গণবিস্ফোরণ সৃষ্টি হবে, তার মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক শক্তিগুলো ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে পারে।

গতকাল রোববার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-তে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজিত দিনব্যাপী জাতীয় কনভেনশনের সমাপনী পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, সংস্কার ও গণভোটবিষয়ক জাতীয় কনভেনশন’-এর সমাপনী আলোচনার বিষয় ছিল ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে জুলাই সনদ, সংস্কার ও গণভোট’।

মাওলানা মামুনুল হক তার বক্তব্যে ক্ষমতাসীনদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, শুধুমাত্র নির্বাচন আয়োজনের উদ্দেশ্যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে—এমন বক্তব্য জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল এবং তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে।

তিনি সরকারের কাছে চারটি মূল দাবি তুলে ধরেন—

১. সংবিধান সংস্কার

২. ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা

৩. দলীয়করণ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক কাঠামো

৪. নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের নিশ্চয়তা

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কোনো ধরনের শর্ত ছাড়াই সংবিধান সংস্কার করতে হবে। অন্যথায় আমরা নতুন করে সংবিধান প্রণয়নের পথে অগ্রসর হব। স্পষ্টভাবে বলতে চাই—সংস্কার না হলে সংবিধান পুনর্লিখনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ