মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

শাপলা হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চেয়েছিল সাংবাদিক মোজ্জামেল ও ফারজানা রুপা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে ঘটে যাওয়া শাপলা চত্বরের ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়ালের চেষ্টা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের তথ্য লুকাতে ঘটনাটি ভিন্নখাতে নেওয়ারও প্রচেষ্টা ছিল তাদের।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে ভয়াবহ এ হত্যাকাণ্ডের পরপরই 'সমীকরণ' শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছিল একাত্তর টেলিভিশনে। শাপলা চত্বরে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে ধারণা দেওয়ার চেষ্টাই করা হয়েছিল সে প্রতিবেদনের মাধ্যমে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, এ মামলার তদন্তে আমরা কিছু নতুন তথ্য পেয়েছি। এর মধ্যে 'সমীকরণ' নামীয় একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করেছেন একাত্তর টেলিভিশনের ফারজানা রুপা। ওই প্রতিবেদনে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির একটি সাক্ষাৎকার পাওয়া যায়। এছাড়া সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবুর সংশ্লিষ্টতাও আমরা পেয়েছি। প্রতিবেদনটি প্রচার করা হয়েছিল ঘটনার পরপরই। যেখানে সারা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা ঘটল। আর সেই ঘটনাটি একেবারেই ভিন্নখাতে নিতে কিছু বিতর্কিত মানুষের বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করলেন ফারজানা রুপা।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বরের প্রকৃত ঘটনাটাকে আড়ালের ক্ষেত্রে মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপার অনন্য ভূমিকা ছিল। মৃত্যুর তথ্য লুকাতেও তারা চেষ্টা করেছেন। তাদের এই প্রচেষ্টা সিস্টেমেটিক অ্যাটাকের মধ্যেই ছিল। তারা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্ধতিগত কাজটি বাস্তবায়ন করেছেন। কারণ তাদের প্রচারিত প্রতিবেদনে একেবারেই কোনো সত্যতা ছিল না। সাক্ষাৎকার নেওয়া ব্যক্তিরা খুব বিতর্কিত ছিলেন।

এজন্য এ মামলার তদন্তের স্বার্থে ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল বাবু ও দীপু মনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চাওয়া হয়েছে। আগামী ১৪ মে তিনজনকে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের এ মামলায় আসামি করা হবে বলেও উল্লেখ করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ