সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

‘যখন-তখন ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণকে বিপদে ফেলা যাবে না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

যখন-তখন ওষুধের দাম বাড়িয়ে সরকার ও জনগণকে বিপদে না ফেলতে ওষুধ মালিক ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, ‘দেশের ওষুধ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ওষুধের দাম নিশ্চিত করতে হবে। শিল্পের স্বার্থ রক্ষা করা যেমন জরুরি, তেমনি যখন-তখন ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না।’

সোমবার (১১ মে) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বেসরকারি খাতের সঙ্গে ‘অংশীজন পরামর্শ সভা: স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ড. মুহিত বলেন, ‘আমরা মাত্র দুই-আড়াই মাস হলো সরকার গঠন করেছি। দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা দেখেছি স্বাস্থ্য খাতের সব জায়গায় একটি ভগ্নদশা বিরাজ করছে।’

দেশের হাসপাতালগুলোর বেহাল চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিগত ৫-৭ বছর ধরে অনেক হাসপাতালের ন্যূনতম মেইনটেন্যান্স হয়নি। কোথাও বিল্ডিং আছে তো যন্ত্রপাতি নেই, কোথাও আবার ওষুধের সংকট। এই বিশাল চ্যালেঞ্জের মধ্যেই আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতি, যা আমাদের জন্য ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

ওষুধের দাম নির্ধারণের বিষয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ওষুধ কোম্পানিগুলো অবশ্যই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, তাদের মুনাফার প্রয়োজন আছে। অন্য সব কিছুর দাম বাড়লেও ওষুধের দাম বছরের পর বছর আটকে রাখা যেমন সঠিক নয়, তেমনি আমরা এমন কোনো নীতিমালাও চাই না, যার ফলে যখন খুশি ওষুধের দাম বাড়িয়ে ফেলা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো—এমন একটি ভারসাম্য বজায় রাখা, যাতে জনগণ এবং সরকার কোনোভাবেই বিপদে না পড়ে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। আমরা চাই মানুষকে ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ নিশ্চিত করতে। আপনাদের সমস্যাগুলো আমরা বুঝি এবং সেগুলো দ্রুত ফয়সালা করতে চাই। যদি আমরা সম্মিলিতভাবে সমাধান না করি, তবে ইন্ডাস্ট্রি ও দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল এটিএম ইসলামসহ বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন প্রতিনিধি, ওষুধ শিল্পের মালিকরা এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ