সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

‘গুমের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করা হয়েছিল’ 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যকে ব্যবহার করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সার্বভৌমত্বকে অরক্ষিত করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১৪ আসনের এমপি ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমান।

রোববার (১৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। এদিন র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তার জেরা শেষ হয়। 

ব্যারিস্টার আরমান বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী হলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। যতদিন সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব বজায় থাকবে, ততদিন দেশের সার্বভৌমত্বও সুরক্ষিত থাকবে। কিন্তু গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যকে ব্যবহার করে শেখ হাসিনা সেই পেশাদারিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। এর মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্বও ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। আমরা চাই এ সংস্কৃতি আর ফিরে না আসুক। যত ক্ষমতাধর দলই হোক, বাংলাদেশের মানুষের অধিকার যেন আর কেউই নষ্ট করতে না পারেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে আরমান বলেন, গুমে থাকাকালীন একেকজনের নির্যাতন একেকরকম ছিল। কিন্তু ভিন্ন থাকলেও বিনা দোষে কোনো মানুষকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। যখন এটি ব্যাপক এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে হচ্ছিল, তখন এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়ে যায়। নির্যাতনের মাত্রার ওপর এই অপরাধ নির্ভর করে না। অপরাধটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে হয়েছিল কিনা, এটাই দেখার বিষয়। 

নতুন সরকারের ওপর আস্থা রাখতে চান জানিয়ে এই তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও গুমের ভুক্তভোগী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রায় প্রত্যেক সংসদ সদস্যই অতীতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন। এই মজলুমদের মিলনমেলার ওপর আমরা আস্থা রাখতে চাই। সরকার এই বিচার নিশ্চিত করবে বলেও আমরা আশাবাদী।

শাহ আলী মাজারের হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাজারের মতো ধর্মীয়-গাম্ভীর্য স্থানে হামলার জন্য তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সরকারের দায়িত্ব সব ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এ জায়গায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ এবং বিভিন্ন ভিডিও এভিডেন্স দেখে যদি কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। তবে ঢালাওভাবে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপানো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিস্টদের ঐতিহ্য। আমরা এসবের পুনরাবৃত্তি চাই না।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ