ফারুক ফেরদৌস : আমেরিকান নও মুসলিম আমিনা এসলিমি মুসলমানদের সহপাঠী হয়েছিলেন ভুল করে। অনলাইনে নতুন টার্মের ক্লাসে ভর্তি নিবন্ধন করতে গিয়ে তিনি বিষয় নির্বাচনে ভুল করেন। পরে ভুল বুঝতে পেরে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, ভুল সংশোধনের কোনো উপায় নেই।
ওই বিভাগের বেশিরভাগ ছাত্রই ছিলো আরব মুসলমান। পছন্দের বিষয়ে পড়তে না পারার চেয়ে তার বেশি মন খারাপ হয়েছিলো এই কারণে। স্বামী বলেছিলেন, স্রষ্টা মনে হয় তোমাকে আরব মুসলমানদের কাছে খ্রিষ্ট ধর্ম প্রচারের জন্য মনোনীত করেছেন। মুসলমানদের কাছে ইসলামের ভুল ত্রুটি তুলে ধরার জন্য তিনি ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করেন। এই পড়াশোনা তাকে একটু একটু করে বদলে দিতে থাকে। দেড় বছরের মাথায় আনুষ্ঠানিকভাবে কালিমা পড়ে মুসলমান হন আমিনা এসলিমি। স্বামীর সাথে তার বিচ্ছেদ হলো। আদালত দুই সন্তানকেও তার কাছ থেকে কেড়ে নিলো। অম্লান বদনে সব সহ্য করে তিনি ইসলামের ওপর অবিচল থাকলেন।
আমিনা এসলিমি এখন ইসলামের একজন একনিষ্ঠ প্রচারক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ইসলাম সম্পর্কে তার অনুভূতি তুলে ধরে ভাষণ দিয়েছেন তিনি। তার দাওয়াতে তার দাদি, মা, বাবা, ভাই, বোন ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তার সাবেক স্বামী জানিয়েছেন তিনি চান তাদের মেয়েরা মায়ের ধর্মই অনুসরণ করুক। এভাবেই ইসলামের আওয়াজ উচ্চকিত হচ্ছে আমেরিকায়। একজন মুসলমান হয়ে আরো দশজনের ইসলাম গ্রহণের কারণ হচ্ছেন। নও মুসলিমরা হয়ে যাচ্ছেন ইসলাম প্রচারক। মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে। বাড়ছে মসজিদের সংখ্যা।
সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আমেরিকায় মুসলমানদের সংখ্যা গত এক দশকে বেড়েছে প্রায় দশ লক্ষ। ২০০০ সনে আমেরিকায় মুসলমান ছিলো ১০ লক্ষ। সংখ্যাটি বেড়ে এখন ২৬ লাখে পৌঁছেছে। ২০০০ সনে আমেরিকায় মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্স ছিলো ১২০৯ টি। সেই সংখ্যা বেড়ে ২০১১ সনে হয়েছে ২১০৬। এখন সংখ্যাটি প্রায় তিন হাজার। নিউইয়র্কে ২৫৭টি, ক্যালিফোর্নিয়ায় ২৪৬টি, টেক্সাসে ১৬৬টি মসজিদ আছে।
ওয়াশিংটন ডিসির উপকণ্ঠ ম্যারিল্যান্ডে ১০ কোটি ডলার অর্থাৎ প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে একটি নতুন মসজিদ। দিয়ানাত ইসলামিক কালচারাল সেন্টার নামের এই মসজিদটি তুর্কি অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে। এ বছর এপ্রিলের শুরুতে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান মসজিদটি উদ্বোধন করেন। আমেরিকান মুসলমানদের চà