সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে এই শিক্ষাআইন চলতে পারে না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

alamin2 copy[নূরুল ইসলাম আল আমিন। ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি। সর্বদলীয় ইসলামি ছাত্র ঐক্যের প্রেসিডিয়াম সদস্য। শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন দেশের বৃহৎ ইসলামি দলগুলো মধ্যে অন্যতম ছাত্র সংগঠন। সংগঠনটির শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে আছে সারা দেশে। ইসলামি বিভিন্ন ইস্যুতে তারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। চলমান শিক্ষাআইনের বিরুদ্ধে তারা শুরু থেকেই সোচ্চার। আন্দোলনকে বেগমান করতে গঠন করেছেন সর্বদলীয় ইসলামি ছাত্র ঐক্য। বিষয়গুলো নিয়ে শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি, সর্বদলীয় ইসলামি ছাত্র ঐক্যের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূরুল ইসলাম আল আমিনের সে কথা বলেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাব এডিটর মুহাম্মদ এহসানুল হক।]

আওয়ার ইসলাম : আপনাদের এই ঐক্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলুন, কেন আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন?
নূরুল ইসলাম আল আমিন : আমাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের উদ্দেশ্য একটাই। শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখা। আর কিছু নয়। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা এই দাবি আদায় করতে চাই।

আওয়ার ইসলাম : শিক্ষানীতিতে মৌলিকভাবে কী কী ক্রটি আছে বলে মনে করেন?
নূরুল ইসলাম আল আমিন : অসংখ্য ত্রুটি রয়েছে, কয়টা বলবো। পাঠ্যপুস্তক থেকে ধর্ম সংক্রান্ত লেখা বাদ দেয়া হয়েছে। নবিজি সা. এর জীবনী ও খোলাফায়ে রাশেদিনের জীবনীগুলো বাদ দেয়া হয়েছে। মুসলিম কবিদের কবিতা বাদ দেয়া হয়েছে। যেমন কাদের নেওয়াজের কবিতাটি বাদ দেয়া হয়েছে। ড. শহিদুল্লাহর সততার পুরষ্কার কবিতাটিও বাদ দেয়া হয়েছে। এজাতীয় আরও অনেক কিছু উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদ দেয়া হয়েছে। অন্য দিকে অনৈসলামি বিভিন্ন লেখা পাঠ্যপুস্তকে ঢোকানো হয়েছে। যেমন একটা কবিতা ঢোকানো হয়েছে যার নাম হলো বই। এই কবিতার মধ্যে প্রচ্ছন্নভাবে পবিত্র কুরআনে পাঠে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এরপর কোচিং টিউশনি এসব বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু শিক্ষকের চাহিদা পূরণের কোনো কথা বলা হয়নি। এরপর শিক্ষকের পক্ষ থেকে ছাত্রের ওপর চাপ প্রয়োগের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আসছে। এতে করে শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্ক আরও অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিষয়গুলো শুধু মাদরাসার নয় স্কুল-কলেজ সবার জন্যই সমস্যা। এমনিভাবে মাদরাসার নিবন্ধনের কঠিন শর্ত করা হয়েছে।

আওয়ার ইসলাম : আচ্ছা মাদরাসাগুলো নিবন্ধন করলà