সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


রাশিয়ায় ইসলামি অর্থনীতির নতুন মাত্রা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rusia4

আব্দুল্লাহ বিন রফিক; আওয়ার ইসলাম

রাশিয়ায় ইসলামী ব্যাংক নতুন নতুন বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করে চলেছে। ইসলামী অর্থব্যবস্থায় প্রতারণা ও ফটকাবাজির কোনও স্থান নেই বলেই এর এতো উৎকর্ষতা। তার মানে, সমস্যা, সংকট এবং প্রতারণা বন্ধে ইসলামী অর্থনীতির ছোটখাটো অনেক মূলনীতি ও দিকনির্দেশনা আছে। নর্টন রইজ কোম্পানীর এক অংশীদার রাশিয়ান ইসলামী অর্থ উন্নয়ন ব্যাংকের কনফারেন্সে আমন্ত্রিত সকল অতিথির সামনে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘মুসলিম বিশে^র আর্থিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও তারা যথেষ্ট ধনী এবং সেখানকার সাধারণ মানুষ তাদের তহবিল তারা এই ব্যাংকগুলোতেই বিনিয়োগ করতে বেশি আগ্রহী।’

হালে রাশিয়ান ইসলামী ব্যাংকগুলো অন্যান্য ট্র্যাডিশনাল ব্যাংকগুলোর মতো আবাসন প্রকল্প সেবা চালু করেছে। এই সেবা মালয়শিয়াসহ অন্যান্য মুসলিম বিশে^ও চালু আছে। এগুলো তাদের বিভিন্ন সেবাগুলোর মধ্যে একটি। অধুনা বাজারে এর মার্কেট শেয়ার আছে প্রায় ৩০%। সর্বোচ্চ ২০মিলিয়ন মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত রাশিয়ায় মুসলিম-নন মুসলিম ও ভিন্ন মতের প্রতিনিধিদের প্রায় সবাই এই অর্থব্যবস্থা ও চিন্তাধারাকে স্বাগত জানিয়েছেন।

রাশিয়ান মুফতী পরিষদ রামেকের তথ্যানুসারে, ৬৯% রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এখন বিকল্প অর্থনীতির কথা ভাবছেন। ইসলামী অর্থব্যবস্থা ও তার কল্যাণের একটা বেশ বড়সড় প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে অধুনা রাশিয়ায়। দেশের ৫৬% পরিবহন মালিকরাও এখন ইসলামী ব্যাংকের নিয়মিত কাস্টমার। ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক এবং দুবাই ইসলামী ব্যাংকগুলোর শুভসূচনার মতো এর যাত্রাও শুভ বলেই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা । আর আশ্চর্য হলেও সত্যি যে, ইসলামী ব্যাংকের চেক, ড্রাফট্ ইত্যাদির আদান-প্রদান ও লেনদেন আগের চে’ অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছে। আর এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয়রা মুসলিম বিশে^র চে’ অনেক এগিয়ে।

সৌদি আরবে এই হার যখন ৬৫% এবং সংযুক্ত আরব-আমিরাতে ২৫% তখন ইউকেতে এই হার চমকে উঠার মতো। ইউকেতে এই হার ৭৫%। এইচএসবিসির তথ্যানুসারে বিশে^ এখন বড় বড় ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে তিনশো’রও বেশি। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার পুঁজি নিরাপত্তা সংস্থা ভিটিবি প্রধান জনাব মানসূর হক বলেন, ‘পাঁচ-সাতশো’ বিলিয়ন ডলার নিয়ে কিছুদিন আগেও যে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করেছিলো অল্পদিনের ব্যবধানে তারাও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের মালিক বনে গà