মোস্তফা ওয়াদুদ
শোলাকিয়া। কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক ঈদগাহ। শোয়ালক্ষ মানুষ একসাথে ঈদের জামাত পড়ে। তাই এ মাঠের নামকরণ করা হয়েছে শোয়ালাকিয়া। সেই থেকে সংক্ষেপ করে এখন মানুষ বলে শোলাকিয়া।
শোলাকিয়ার একটি ঐতিহ্য আছে। শোলা লাখ মানুষের বিশাল জমায়েত হয়। এ ধারা চলে আসছে প্রায় ২৩৯ বছর ধরে। কিন্তু এ বছর মাত্র সহস্রাধিক মানুষ নিয়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে আলোচনা। পক্ষে-বিপক্ষে সমালোচনা।
কেউ বলছেন সরকারি আলেমের ইমামতির কারণে মানুষ যায়নি। কেউ শাহবাগের বিষয় তুলে কটাক্ষ করতেও ছারছেন না।
আসলে প্রকৃত বিষয় কী এবং এ বিষয়ে মাওলানা ফরিদউদ্দীন মাসউদের বক্তব্য কী? জানতে আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয়েছিল শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম মাওলানা ফরিদউদ্দীন মাসউদের সঙ্গে।
তিনি বলেন, এবছর ঈদগাহে মুসুল্লিদের উপস্থিতি কম হওয়ার কারণ হলো, ঈদের দিন সারাদেশে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। শোলাকিয়ার মাঠেও বৃষ্টি হয়েছে প্রচুর। এতো বৃষ্টির মাঝেও মাঠে নামাজ হয়েছে। মানুষ বৃষ্টিতে ভিজে হলেও আমার ভালবাসায় মাঠেই নামাজ আদায় করেছে। এটিই তো বড় বিষয়!
মাওলানা ফরিদউদ্দীন মাসউদ বলেন, অন্যান্য বছরও ঈদুল ফিতরের চেয়ে ঈদুল আযহায় মানুষ কম হয়েছে। আশপাশের মসজিদেই নামাজ আদায় করে নেয় অনেকে। এবার হয়তোবা মানুষের সংখ্যা অনেক কম হয়েছে। তাই বিষয়টি সবার নজরে এসেছে।
তবে অনেকে প্রশ্ন করছেন অল্প লোক হওয়ার কারণ আল্লামা মাসউদ নিজেই। বিষয় টি জানানো হলে তিনি অট্টহাসি দিয়ে বলেন, এটি একটি বালখিল্য প্রশ্ন। যারা এ জাতীয় প্রশ্ন তুলে তাদের বলবো, গতবছরও তো ফরিদউদ্দীন মাসউদই ইমাম ছিলেন। তার আগেওতো আমিই ছিলাম। তখন কেনো লোক কম হয়নি। তখন তো ঠিকই লোকের সমাগম অনেক হয়েছে।
গত ঈদের কথা তুলনা করে তিনি বলেন, গত ঈদুল ফিতরেওতো ফরিদউদ্দীন মাসউদ ইমাম ছিলেন। তখন কেনো লক্ষ লক্ষ মানুষ হয়েছে? আসলে এগুলো কোনো প্রশ্ন না। এগুলো হলো ফেতনা সৃষ্টির মাধ্যম। বাজে প্রশ্ন।
গদ ঈদুল ফিতরের সময়ে বোমা হামলার দিকে ইংগিত করে তিনি বলেন, একটি কুচক্রি মহল শোলাকিয়ার ঐতিহ্যকে নষ্ট করার জন্য হামলা চালিয়েছে। মানুষের মনে আশঙ্কা ছিলো এবারও হামলা হতে পারে। এজন্য সরকারের à