সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


বেফাকের সরকার ঘোষিত কমিটি প্রত্যাখ্যানে ফেসবুকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

befak-2-copyফারুক ফেরদৌস : কওমি মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থার স্বীকৃতি বাস্তবায়নের লক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত ৯ সদস্যের কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে বেফাক। চট্টগ্রামে বেফাক সভাপতি আল্লামা আহমদ শফীর উপস্থিতিতে বেফাকের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক গতকাল সকাল ৯ টায় শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত চলে। বৈঠকটি নিয়ে আগ্রহ ছিলো সারা দেশে। দুপুরের মধ্যেই সবাই বেফাকের সরকার গঠিত কমিটি প্রত্যাখ্যানের খবর পেয়ে যায়। এরপর এ নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে আলোচনা শুরু হয়ে এখনো চলছে। চট্টগ্রামের বৈঠকটিতে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা যে সারা দেশের সিংহভাগ আলেমের প্রতিনিধিত্ব করেন এ নিয়ে কারো সন্দেহ নেই। অনেকেই বৈঠকের সিদ্ধান্তকে সঠিক আখ্যা দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ আবার বৈঠকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। বলছেন, বৈঠকে ব্যক্তি বিদ্বেষের প্রতিফলন ঘটেছে। কেউ কেউ বলছেন, সিদ্ধান্তটি সুচিন্তিত হলো না। ঘোষিত কমিটির নেতাদের সাথে আলোচনায় বসতে পারতো বেফাক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুকে জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার শিক্ষক ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটির লেকচারার মাওলানা মামুনুল হক লিখেছেন, বেফাকের চট্রলাবৈঠকের সিদ্ধান্তে মনে কিছুটা সাহস পাচ্ছি৷ মেরুদণ্ড ভেঙ্গে পড়েনি কওমী ওলামাদের ৷ সরকারের ভেংচি দেখে লেজ গুটিয়েও নেন নি তারা ৷ আবার হঠকারিতার পথও ধরেন নি ৷ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করে সঠিক পথ দেখানোর সিদ্ধান্ত খুবই ভারসাম্যপূর্ণ ৷ সরকারের যদি শুভবুদ্ধির উদয় হয় তো ভালো কথা ৷ আর যদি একগুঁয়েমির পথেই হাটে সরকার, তবে হার্ড লাইনে চলার পদ্ধতি জানা আছে ওলামায়ে দেওবন্দেরও ৷ কওমী মাদরাসা কোনো সরকারের করুণার ফসল নয় ৷ ওলামায়ে কেরাম মাদরাসা গড়েছেন ৷ সরকারের কাছ থেকে করুণা নয়, স্বীকৃতির অধিকার আদায় করতে হবে৷ আমাদের কথা পরিষ্কার, ওলামায়ে কেরাম তাদের প্রতিনিধি ঠিক করবেন, প্রয়োজনে সরকার তার আস্থাভাজনদেরকে কো-অপ্ট করবে ৷ সরকারের গড়া কোনো কমিটি কওমীর কল্যাণ করবে না, সরকারের এ্যজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে ৷ ওলামায়ে কেরামের আস্থার বাইরে সরকারের স্বীকৃতি যাদের দরকার তাদের জন্য আলিয়ার দুয়ার তো খোলাই ৷ কাজেই ওলামায়ে কেরামের আস্থা ছাড়া সরকারের স্বীকৃতি দিয়েই কেল্লা ফতেহ হয়ে যাবে, এমন ভাবনা সঠিক নয়৷

প্রখ্যাত কবি ও লেখক মুহিব খান তার দীর্ঘ স্ট্যাটাসে কওমি সনদের স্বীকৃতি চাওয়ার বিরুদ্ধে নানা যুক্তি তুলে ধরেছেন। সরকার স্বীকৃতি দেওয়ার চেয়ে আমাদের স্বীকৃতি পাওয়ার জন্যই বেশি উন্মুখ মন্তব্য করে তিনি লিখেছেন, আমাদের বুঝতে হবে à