বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ওমান উপকূলে ভারতীয় জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিখোঁজ ৩ দুপুরের মধ্যে ৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা তুচ্ছ ঘটনায় রণক্ষেত্র ভৈরব, ওসিসহ আহত অর্ধশতাধিক বানিয়াচংয়ে ইসলামী সংগ্রাম পরিষদের ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন জৈন্তাপুর উপজেলা জমিয়তের সভাপতির ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক ‘আদর্শবান ও প্রশিক্ষিত কর্মীরাই একটি সংগঠনের প্রকৃত শক্তি’ শুক্রবার মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে খুতবা দেবেন যে দুই শায়খ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি হজমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ১১ দলীয় জোটে নেই খেলাফত আন্দোলন, নাম ব্যবহার না করার আহ্বান

অকথ্য নির্যাতনের বর্ণনা দিলেন রোহিঙ্গা নারী মনোয়ারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

momoara_33337_1481238090

আওয়ার ইসলাম: সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর চালানো অকথ্য নির্যাতনের বর্ননা দিলেন রোহিঙ্গা নারী মনোয়ারা। খবর বিবিসির।

পেটে সন্তান নিয়ে শেষ পর্যন্ত বসতভিটা ফেলে পালাতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। ধরা পড়ার ভয়ে প্রসব-বেদনা নিয়ে দুইদিন জঙ্গলে লুকিয়ে ছিলেন তিনি। মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে অবশেষে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন টেকনাফে।

সন্তানসম্ভবা মনোয়ারার বাড়ি ছিল মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে। মংডুর পোয়াখালি এলাকার চাককাটা গ্রামে স্বামী নুর মোহাম্মদকে নিয়ে তার সুখের সংসার ছিল। অনাগত সন্তানের সুখ-স্বপ্নে যখন বিভোর তখনই নেমে এল তার জীবনের সবচেয়ে কঠিনতম সময়।

পাশের গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে সেনারা এ খবর আগেই শুনেছিলেন তিনি। কিন্তু তার শরীরের যে অবস্থা তাতে আর কোথাও পালিয়ে যাওয়ার সামর্থ ছিলনা তার। এক পর্যায়ে মনোয়ারাদের গ্রামেও আক্রমণ হয়। তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়ে তার স্বামীকে ধরে নিয়ে যায়।

নভেম্বরের শেষ নাগাদ একদিন সকালে হঠাৎ তার বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। মিয়ানমারের চলমান সহিংসতা থেকে রেহাই পায় না মনোয়ারা এবং তার পরিবার।

এক দীর্ঘ পথ পারি দিয়ে, সাতদিন থেমে থেমে পায়ে হেটে এসে পৌঁছান নাফ নদীর ধারে। গভীর রাতে পার হন নদী। কিন্তু অন্য সবাই নদী পাড়ি দিয়ে চলে গেলেও তিনি যেতে পারেননি। কারণ ততক্ষণে তার প্রসব বেদনা শুরু হয়ে যায়।

একদিকে বিজিবি ধরে ফেলার ভয় অন্য দিকে প্রসববেদনা। চলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন তিনি। সেই অবস্থায় টেকনাফ সীমান্তে প্যারাবনে দুইদিন কাটান তিনি।

অচেতন মনোয়ারাকে জঙ্গল থেকে কারা যেন উদ্ধার করেন তা তার মনে নেই। বাংলাদেশে এসে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন মনোয়ারা। তিনি যে বেঁচে আছেন এটাই তার কাছে মাঝে মাঝে আশ্চর্যের মনে হয়।

এআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ