আওয়ার ইসলাম: পিজিশিয়ানস ফর হিউম্যান রাইটস (পিএইচআর)। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এক আন্তর্জাতিক সংস্থা। নিউ ইয়র্কভিত্তিক এই সংস্থা তিন দশক ধরে সায়েন্স ও মেডিসিনকে ব্যবহার করে আসছে নৃশংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বাস্তব প্রমাণ হাজির করে এর বিরুদ্ধে বিশ্ববাসীকে সচেতন করে তুলতে, যাতে পৃথিবী থেকে নৃশংসতা ও অমানবিকতার অবসান ঘটে।
এই সংস্থার প্রতিষ্ঠা সুনির্দিষ্ট একটি ধারণার ওপর : স্বাস্থ্যবিষয়ক পেশাজীবীরা তাদের বিশেষায়িত দক্ষতা, নৈতিক দায়িত্ব ও আস্থাযোগ্য বক্তব্যসূত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এক অনন্য অবস্থান ধারণ করতে পাবেন।
পিএইচআর সদ্যসমাপ্ত ডিসেম্বরে কাশ্মিরে ভারতীয় বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপারে নিজস্ব তদন্তের ওপর ভিত্তি করে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ‘Blind to Justice: Excessive Use of Force and Attacks on Health Care in Jammu and Kashmir, India, December, 2016’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে কাশ্মিরে ভারতীয় বাহিনীর অতিমাত্রিক মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নৃশংসতার উদ্বেগজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে পিএইচআরের নিজস্ব স্টাফ দিয়ে, ২০১৬ সালের আগস্ট-অক্টোবর সময়ে কাশ্মিরের বিভিন্ন জেলায় পরিচালিত সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে। একই সাথে পিএইচআর লিডারশিপ পুরো রিপোর্ট নিজস্ব উপায়ে পর্যালোচনা করে তা চূড়ান্ত করেন।
রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়- ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নির্বিচারে কাশ্মিরিদের ওপর অতিমাত্রিক শক্তি প্রয়োগ করেছে জম্মু ও কাশ্মিরে ব্যাপক বিক্ষোভ চলার সময়। সেখানে বিক্ষোভকারীদের ওপর চলেছে গুলির পর গুলি। এর ফলে নিহত হয়েছেন অন্তত ৮৭ জন, আর আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৯০০ জন। বিক্ষোভ দমনের জন্য ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনী যেসব অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে সেগুলোকে ‘লেস দেন লেথাল’ হিসেবে বর্ণনা করা হলেও কার্যত এগুলো অনেকের মৃত্যুর ও মারাত্মক আঘাতের কারণ ছিল। অনেকেই এমন আহত হয়েছেন যে, তাকে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে। এসব অস্ত্রশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী যেমনি ব্যবহার করেছে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে, তেমনি ইটপাটকেল নিক্ষেপকারী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধেও। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কাঁদানে গ্যাস ছিটানোসহ পিপার গ্যাস শেলও নিক্ষেপ করা হয়।১২ গজ শুটগান থেকে ছোড়া হয় মেটাল পেলেট, আহতদের বেশির ভাগই এই মেটাল পেলেটের আঘাতের শিকার।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব অস্ত্র ববহার করা হয়েছে আহতের মাত্রা কমà