সারাদেশে আরম্ভ হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা৷ বেশ চাপ ও দুশ্চিন্তায় ভুগছে পরীক্ষার্থীরা৷ অনেকে আবার নার্ভাস ফিল করতে শুরু করেছে এই দিনগুলিতে৷ পরামর্শ হিসেবে পরীক্ষার এমন কিছু গুছগাছ ও অন্যান্য বিষয়ে লিখেছেন ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের উচ্চতর হাদিস বিভাগে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মুনশি মুহাম্মদ উবাইদুল্লাহ
১. পরীক্ষার আগের রাতে বিরাট যুদ্ধে অবতীর্ণ হবার মতোন পড়ো না৷ মাথা ঠাণ্ডা রাখো৷ একদম বেশি পড়ে পড়ে দুনিয়া উল্টে দিও না৷ যথাসম্ভব আগেভাগে শুয়ে পড়ো৷ বেশির থেকে বেশি বইখানা একটিবার রিভাইস দিতে পারো তখন৷
২. পরীক্ষার হলে যাবার আগে গোসল সেরে যাবতীয় আসবাবপত্র গুছিয়ে ঘর থেকে এসো৷ দুটো অতিরিক্ত কালো কলম নিও কিন্তু৷ সঙ্গে তিনটে মার্কার পেন নাও; সবুজ, নীল, গোলাপি কিংবা লাল, কালো, হলুদ ছাড়া তোমার পছন্দের যেকোনো রঙের৷ দেখো আবার সেগুলি নিয়ো না কিন্তু, যেগুলিতে কাগজের উল্টো পাশ নষ্ট হয়ে যায়৷ স্কেল, হাতঘড়িও নাও সঙ্গে৷ একটা জলের বোতলও নিতে ভুলো না যেনো৷
৩. পরীক্ষার হলে ঢোকার আগে প্রচুর পরিমাণে বই পড়া, পড়া সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে খুব টেনশন করা, পরীক্ষার চিন্তায় একেবারে ভেঙে পড়া বাদ দাও৷ যা পড়ার আগের দিনের সন্ধ্যে অবধি সেরে ফেলো৷
৪. পরীক্ষার এই সময়গুলিতে ফরজ নামাজের পাশাপাশি বাড়তি নফল নামাজও পড়ে নাও সুযোগ মিলতেই৷ জানো তো, নামাজে যাবতীয় দুশ্চিন্তা দূর হয়৷ অপার সাহায্যের হাতছানি মেলে৷ আর যারা রোজকার ফরজ নামাজই পড়ো না, তারা জেনে নাও—প্রতিটা প্রাপ্তবয়সী মুসলমানের ওপর নামাজ ফরজ৷ ছেড়ে দেয়া কঠোর গোনাহ৷ তাই বয়স হবার পর থেকে আজ অবধি যতো নামাজ ছুটে গেছে, সেগুলির পূরণ হিসেবে কাজা আদায় করো৷ হেলায়-খেলায় কতো নামাজ পেরিয়ে গেছে, যদি তার হিসেবই না থাকে, তাহলে মনকে জিজ্ঞেস করো৷ মন যা বলে, সেই মোতাবিক একটা ধারণা স্থির করো৷ পড়তে থাকো প্রতি নামাজ আদায়ের সঙ্গে ঐসব নামাজের বাড়তি হুবহু সেই ক'টি রাকাত৷ কেঁদে কেঁদে ক্ষমা প্রার্থনা করো আল্লাহর দরবারে৷ প্রতিজ্ঞা করো, আর কখনও নামাজ ছাড়বে না৷ পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য এবং নিজের পরিবারসহ বিশ্বমুসলিমের শান্তি কামনায় দোয়া করো৷ জানো তো! অপরের জন্য দোয়া করলে নিজের জন্য এমনিতেই দোয়া কবুল হয়ে যায়৷
৫. পরীক্ষা শুরু হবার কমপক্ষে পনেরো মিনিট আগে পরীক্ষার হলে ঢোকো৷ সেখানে নামাজের বà