হাওলাদার জহিরুল ইসলাম
দেওবন্দ থেকে
ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দে গতকাল বাদ এশা এক এসলাহি ও তাবলিগি জলসা অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া ওই জলসায় প্রথমে সংক্ষিপ্ত আলোচনা রাখেন দেওবন্দের নায়েবে মুহতামিম হজরত আল্লামা আবদুল খালেক সাম্ভলী৷ তিনি শিক্ষার্থীদের উন্নত চরিত্র গঠন, এখলাস-আমলে উন্নতি সাধন, মাদরাসার নিয়ম-কানুন মেনে চলা, দীনি দাওয়াত, দীনের জন্য মেহনত-মুজাহাদাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করেন৷
পরে দেওবন্দের সম্মানিত নাযেমে দারুল ইকামা, হজরত আল্লামা আফজাল কাইমুরী ছাত্রদের উদ্দেশ্যে দীর্ঘ আলোচনা পেশ করেন৷ দীর্ঘ আলোচনায় তিনি দীনি ইলম অন্বেষণের গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও ফজিলত তুলে ধরেন৷
দীনে ইসলামের 'সার বুলন্দি'র জন্য প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাহাবায়ে কেরামের ঐতিহাসিক ত্যাগ, কষ্ট স্বীকার, মেহনত মুজাহাদা, রাহে খোদায় অকাতরে জান-মালের নজরানা পেশ ইত্যাদি বিষয়গুলো অত্যন্ত আবেগময়ী ভাষায় তুলে ধরেন৷
তিনি বলেন, “মুসলমানদের ইতিহাস কেবল ত্যাগের ইতিহাস৷ যুগে যুগে মুসলিম জাতি ঐতিহাসিক ত্যাগ স্বীকার করে দীনের ঝান্ডা উঁচু রেখেছে৷ জান্নাতের বিনিময়ে আল্লাহ পাক মুসলমানদের জান মাল ক্রয় করে নিয়েছেন৷”
ভারত স্বাধীনতা আন্দোলনে আলেম-উলামা ও সাধারাণ মুসলমানদের ত্যাগের করুণ ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, “ভারতীয় মুসলমানদের অবর্ণনীয় ত্যাগের বিনিময়েই আল্লাহ পাক দারুল উলুম দেওবন্দের মতো একটি খালেস দীনি মারকায উপহার দিয়েছেন৷ দেওবন্দ শুধু ভারতীয় মুসলমানদের জন্যই নয় পুরো বিশ্বের জন্য একটি উপহার৷”
এরপর তিনি ছাত্রদেরকে নবীজী সা.এর বিদায় হজ্বের 'উপস্থিত ব্যক্তিরা যেনো অনুপস্থিতদের কাছে দীনের দাওয়াত পৌঁছে দেয়' বাণী স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ীন, তাবয়ে তাবেয়ীগণসহ যুগ যুগ ধরে সবাই পরবর্তীদের কাছে দীনি ইলম, দীনের বিধানসমূহ দাওয়াতের মাধ্যমে পৌঁছে দিয়েছেন৷ সেই ধারাবাহিকতা