শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

আদিত্যনাথের মুসলিম বিদ্বেষের সমালোচনা করলেন মমতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

momotaআওয়ার ইসলাম : এবার ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনায় মুখর হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশে ধর্মীয় বিভাজন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার বার্তা দিয়েছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মানুষ আজ ভীত। জাতি, ধর্মের ভেদাভেদের কারণে অনেকেই আতঙ্কিত। মনে রাখতে হবে আমরা সকলেই এক। সরকারের দায়িত্ব সকলের পাশে দাঁড়ানো।’

তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সকলের সঙ্গে সবার উন্নয়ন) শুধু বললেই হবে না, কাজে করে দেখাতে হবে।’

মমতা বন্দোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘সকলের উচিত সংবিধানের গরিমা রক্ষা করা যাতে আগামী দিনে সংবিধান আমাদের পাথেয় হতে পারে।’ এভাবে তিনি হিন্দুত্ববাদীদের উদ্দেশ্যে মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে সাফাই দিয়েছেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে এক সমাবেশে মমতা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সব মানুষ সমান। সব অঙ্গ ছাড়া মানব শরীর অসম্পূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দাঙ্গার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। বাংলায় তা করতেও দেব না কাউকে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলমান–সহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়েই চলতে হবে আমাদের। কোনো ভেদাভেদ চলবে না।’

তিনি বিভেদকামীদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এ মাটি বড় শক্ত। এখানে দুর্বৃত্তদের কোনও জায়গা নেই।’

উত্তর প্রদেশে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সেখানে একের পর এক কসাইখানা বন্ধ হওয়ায় বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বিয়ের মত সামাজিক অনুষ্ঠানে সেখানে মহিষের গোশতও ব্যবহার করতে দেয়া হচ্ছে না। সেখানকার একাংশের মানুষদের এতদিনের খাদ্যাভ্যাসেরও পরিবর্তন হতে চলেছে।

এসব ঘটনায় মুসলিমদের পাশাপাশি দলিতরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দরিদ্র শ্রেণির মানুষজনের সস্তায় গরুর/মহিষের গোশত খাওয়ার পথ বন্ধ। দলিতরা যে গবাদি পশুর চামড়া বিক্রি করে উপার্জন করবেন তারও আর উপায় থাকছে না। সে পথও বন্ধ হতে চলেছে।

সূত্র : পার্সটুডে

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ