শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের গত ২৪ ঘণ্টায় ১ শিশুসহ হাম ও উপসর্গে এখন পর্যন্ত ৬৪৩ মৃত্যু ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের চিন্তার কিছুই নেই: গভর্নর কোনো শ্রেণি বা পেশা এবার বাজেটের বাইরে নেই: অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপ ফুটবল: বিজাতীয় সংস্কৃতি চর্চায় ভয়ংকর উন্মাদ তরুণ প্রজন্ম!  সীমান্তে বিজিবির দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা পীরের সাহেব চরমোনাইয়ের দীনি লেবাস ও নৈতিকতার বিতর্ক: বাস্তবতা বনাম ন্যারেটিভ হিজরি সন: মুসলিম জাতিসত্তার গৌরবময় পরিচয় প্রস্তাবিত বাজেট দেশকে ঋণের দাসত্বে বাঁধার পাঁয়তারা: আমিরে মজলিস

পাকিস্তানের যে ‘গোপন অস্ত্র’ ঘুম কেড়ে নিচ্ছে ভারতীয়দের!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা মারাত্মক রূপ নিয়েছে। সীমান্তে টানা ১১ দিন ধরে গোলাগুলি, যুদ্ধের আশঙ্কা, পাল্টাপাল্টি প্রস্তুতি—সব কিছু মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় আবারও যুদ্ধের আশঙ্কা ঘনীভূত হয়েছে।

এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আধুনিক অস্ত্র Airborne Early Warning and Control Systems (AEW&C) বা এওয়াক্স। এটি বিমানে স্থাপিত একটি রাডার সিস্টেম, যা আকাশে ভাসমান অবস্থায় শত্রু বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য হুমকি শনাক্তে অসাধারণ দক্ষতা রাখে।

পাকিস্তানের হাতে থাকা ১১টি AEW&C বিমানে সুইডেনের উন্নত ‘Ericsson Erieye radar’ সজ্জিত। এগুলো পাকিস্তানের আকাশে মোবাইল কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করে। সীমান্তে ভারতীয় জেট ঢুকলেই, তা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

এই তথ্যের ভিত্তিতে পাকিস্তান দ্রুত সক্রিয় করতে পারে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, যা ভারতীয় মিসাইল বা বিমানকে মাঝ আকাশেই গুঁড়িয়ে দিতে পারে।

ভারতীয় বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মনে করেন, এই রাডার প্ল্যাটফর্ম না ধ্বংস করা পর্যন্ত পাকিস্তানের আকাশে অভিযান চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এটি শুধু নজরদারিই নয়, যুদ্ধক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রেও তাৎক্ষণিক সুবিধা দেয়।

এই পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের AEW&C ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা কৌশলগতভাবে কিছুটা এগিয়ে আছে। ভারত এ ব্যবস্থাকে অকার্যকর না করলে, পেহেলগাম হামলার প্রতিশোধ নেয়াও হবে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে এখন শুধু যুদ্ধবিমান নয়, তথ্য প্রযুক্তি ও রাডার ক্ষমতার লড়াইও চলছে।

 এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ