শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের গত ২৪ ঘণ্টায় ১ শিশুসহ হাম ও উপসর্গে এখন পর্যন্ত ৬৪৩ মৃত্যু ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের চিন্তার কিছুই নেই: গভর্নর কোনো শ্রেণি বা পেশা এবার বাজেটের বাইরে নেই: অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপ ফুটবল: বিজাতীয় সংস্কৃতি চর্চায় ভয়ংকর উন্মাদ তরুণ প্রজন্ম!  সীমান্তে বিজিবির দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা পীরের সাহেব চরমোনাইয়ের দীনি লেবাস ও নৈতিকতার বিতর্ক: বাস্তবতা বনাম ন্যারেটিভ হিজরি সন: মুসলিম জাতিসত্তার গৌরবময় পরিচয় প্রস্তাবিত বাজেট দেশকে ঋণের দাসত্বে বাঁধার পাঁয়তারা: আমিরে মজলিস

গাজার শিশুদের জন্য ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিক হচ্ছে পোপের গাড়ি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার শিশুদের জন্য ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকে রূপান্তরিত হবে প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিসের গাড়ি পোপমোবিল। এটিই তার শেষ ইচ্ছা ছিল বলে জানা গেছে।

রোববার (৪ মে) সুইডিশ টেলিভিশন এ ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

এ উদ্যোগটি কারিতাস সুইডেনের মহাসচিব পিটার ব্রুন ও জেরুসালেমের আন্তন সাফারের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে। পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুর আগে প্রকল্পটি তার অনুমোদন পেয়েছিল। ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা ওয়াফার মতে, পোপ বলেছিলেন, ‘যদি এটি গাজার শিশুদের সাহায্য করে, তবে এটি এভাবেই ব্যবহার করা উচিত।’

পিটার ব্রুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকটি চিকিৎসা টিমগুলোকে এমন শিশুদের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করবে যারা গাজার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রায় সম্পূর্ণ পতনের কারণে বর্তমানে চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

তিনি বলেন, ‘এটি কেবল একটি বাহন নয়, এটি একটি বার্তা যে বিশ্ব গাজার শিশুদের ভুলে যায়নি।‘

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পোপের ভ্রমণের প্রতীক হয়ে ওঠা গাড়িটি চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত থাকবে এবং প্রতিরক্ষামূলক স্তর দিয়ে সুরক্ষিত থাকবে। তবে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ত্রাণ পৌঁছে দেয়া। কারণ দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে উপত্যকাটিতে ত্রাণ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

কারিতাস জেরুসালেম গাজায় চলমান সমস্যা সত্ত্বেও মানবিক কাজ অব্যাহত রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিচ্ছে। আন্তন সাফার এই যানের প্রতীকী তাৎপর্য সম্পর্কে বলেন, ‘এটি পোপের দুর্বলদের প্রতি দেখানো সহানুভূতি ও যত্নের প্রতিফলন।’

গত ২১ এপ্রিল মৃত্যু হয়েছে পোপ ফ্রান্সিসের। পোপ হিসেবে তিনি তার মেয়াদকালে ধারাবাহিকভাবে ফিলিস্তিনি অধিকারকে সমর্থন করে গেছেন। তিনি বারবারই গাজায় যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন এবং সেখানকার জনগণের জন্য আন্তর্জাতিক সাহায্যে উৎসাহিত করেছেন।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ