পরীক্ষার নাম শুনলে কম বেশি সবারই হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় কয়েক গুণ । তাই বলে পরীক্ষা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে তো আর হবে না। নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ কিন্তু এখানেই।পরীক্ষায় নিজের সেরাটা দিলেই অর্জন করা যায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। এজন্য পরীক্ষার প্রস্তুতিও হওয়া চাই সেরা। আর শুধু প্রস্তুতি দিয়েই হয় না। দরকার হয় কৌশলেরও। কিছু কৌশল মনে রাখল আপনার প্রস্তুতিটি আরও সহজ ও পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে।
কওমি সিলেবাসে তাইসির প্রথম জামাত। জীবনের প্রথমেই যদি ভালো করা যায়, তবে মনোবল বেড়ে যাবে বহুগুণ। আর যদি শুরুতেই হোচক খেতে হয়, তবে পরবর্তী জীবনে পড়ালেখার আগ্রহ নষ্ট হয়। তাছাড়া তাইসির জামাতে ফলাফল ভালো করতে হলে এবং বেফাকের সিরিয়ালে যেতে হলে অনেক বেশি প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়।
পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকাও তাইসির জামাতে ভালো ফলাফলের পথে একটি বাধা। তাই এ জামাতের প্রস্তুতিতে থাকতে হবে পূর্ণ মনোযোগ ও অনুশীলন।
উর্দু ও ফার্সি কিতাবগুলো : তালিমুল ইসলাম, উর্দু তেসরি, তাইসিরুল মুবতাদি ও ফার্সি কি পেহলি কিতাব দুটি কীভাবে পড়লে কিতাবের বিষয়বস্তু আয়ত্ব করা যায় ও কীভাবে ভাল ফলাফল করা যায় এ ব্যাপারে আলোচনা করতে গেলে মৌলিকভাবে যে বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ রাখতে হবে তার উপর সংক্ষেপে আলোকপাত করা হলো।
মুখস্ত করার পাশাপাশি বুঝে পড়া : সাধারণত ছোট ও প্রাথমিক ছাত্রদের পড়ালেখা মুখস্তনির্ভর হয়ে থাকে। এরপর যতই উপরের ক্লাসে উঠতে থাকে মুখস্তনির্ভরতা কমেতে থাকে। এর স্থলে বেশি প্রয়োজন হয় বুঝ ও বুদ্ধির। তাই উপরের কিতাবাদিতে মুখস্ত করার তুলনায় কিতাব বুঝার প্রতি বেশি গুরুত্বারূপ করতে হয়। সে হিসাবে আলোচ্য কিতাব দুটিও মুখস্তনির্ভর হওয়াই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু বাস্তবতা এমন হয়েছে যে, এ কিতাব দুটি শুধু মুখস্তনির্ভর নয়, এতে রয়েছে বুঝার অনেক বড় দখল। তাই ছাত্রদের শুধু বিষয়গুলো মুখস্ত করলেই চলবে না, বরং কিতাবের বিষয়গুলো বুঝার উপরও যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে অনুশীলন করা : আরবী ভাষার বুঝার ক্ষেত্রে আমরা মৌলিকভাবে দুটি শাস্ত্র পড়ে থাকি। একটি হলো নাহু, অপরটি হলো সরফ। এ শাস্ত্র দুটি আয়ত্ব করার জন্য সুদীর্ঘ ৩/৪ বছরে এ বিষয়ের ৭-৮টি কিতাব পড়ানো হয়। পক্ষান্তরে ফার্সি সরফ শাস্ত্র ও ফার্সি নাহু শাস্ত্র একই সাথে একটি মা