শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
শরয়ি হালালা বনাম হালালা সেন্টার: আমাদের নৈতিক পরাজয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাখাতে ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব সপ্তাহের শেষেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি কার্যকর হওয়ার দাবি ট্রাম্পের ইরানের খার্গ দ্বীপ কেড়ে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের খেলাফত আন্দোলন ঘুরে ফের ইসলামী আন্দোলনে নান্নু মুন্সী গাইবান্ধার সেই মূর্তি স্থাপনের কাজ বন্ধ ঘোষণা চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের

মাওলানা কাসেমীর খোঁজ নিলেন খালেদা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজনীতিবিদদের সম্মানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন দলের নেতাদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টার। ইফতারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও বাম দলগুলো ছাড়া ২০ দলের বাইরে বেশ কিছু দলের নেতারা অংশ নেন।

ইফতারে অনেকের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর দেখা হওয়ায় সার্বিক খোঁজখবর নেন খালেদা জিয়া। সন্ধ্যা ৬টা ২৬ মিনিটের দিকে অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছান তিনি।

চেয়ারে বসেই আ স ম আবদুর রবের পাশে বসে থাকা তার স্ত্রী তানিয়া রবের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন খালেদা জিয়া। তার কাছে জানতে চান তিনি রাজনীতি করেন কি না। তানিয়া রব উত্তরে রাজনীতি করেন বলে জানান। অন্যরা সুর মেলান, উনি তো তার (আসম রব) চেয়েও বেশি রাজনীতি করেন।

এরই মধ্যে টেবিলের আলাপে এসে যোগ দেন সাবেক রাষ্ট্রপতি বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দৌজা চৌধুরী। এসেই খালেদা জিয়াকে সালাম দিয়ে আ স ম রবের সঙ্গে আলাপে মগ্ন হন।

এক পর্যায়ে আ স ব রব খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন, আমি দেবর উনি ভাবী। (স্ত্রীকে নির্দেশ করে)। তার কথার শেষে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমিও দেবর। এসময় টেবিলে বসা সব নেতাই জোরে হেসে উঠেন।

একপর্যায়ে জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমীর উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, ‘কাসেমী সাহেব! কেমন আছেন? আপনাকে তো দেখা যায় না।’ তখন কাসেমী বলেন, ‘জ্বি ম্যাডাম আছি।’

ইফতারের টেবিলে বসে বদরুদ্দোজা চৌধুরী রাস্তার যানজটের কথা বলতেই মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কী জ্যাম, কারওয়ানবাজার মোড় থেকে বসুন্ধরায় আসতে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে।’

প্রায় দশ মিনিট এই শীর্ষ রাজনীতিকরা নিজেদের মধ্যে আলাপ করেন, হাসাহাসি করেন খানিকটা। এ সময় পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, বিএনপির মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খানসহ অনেকে।

খালেদা জিয়া ইফতার শুরুর প্রাক্কালে সমাগত সব রাজনীতিকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে আজকের ইফতারে এসেছেন কষ্ট করে, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ। রাস্তায় ব্যাপক যানজটের মধ্য দিয়ে আমাদের দলের ইফতারে শরিক হয়েছেন এজন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

সূত্র: ঢাকাটাইমস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ