মুসলমানদের প্রথম কিবলা তথা আলআকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের নামাজ পড়তে দিচ্ছে না ইহুদিবাদী ইসরাইল।
ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষ এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, ইসরাইলের এই পদক্ষেপ সব ধরনের আন্তর্জাতিক আইন ও ইশতেহারের লঙ্ঘন এবং তা সব মানবীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতারও পরিপন্থী।
এর আগে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরাইলি পুলিশ কোনো মুসল্লিকেই আল-আকসা মসজিদে নামাজ পড়তে দিচ্ছে না।
ফিলিস্তিনি বিশেষজ্ঞ মুহাম্মাদ জাদাল্লাহ এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ইসরাইল এ পদক্ষেপের মাধ্যমে এটাই বোঝাতে চায় যে আল-আকসা মসজিদের ওপর এখন আর মুসলমান ও ফিলিস্তিনিদের কর্তৃত্ব নেই, বরং তা এখন পুরোপুরি ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ফিলিস্তিনিরা আজ নিজ ভূমিতেই পরবাসী। সেখানে মুসলমানদের স্থাপনা এবং পবিত্র স্থানগুলোও আজ ইসরাইলি দখলদারিত্বের নাগপাশে থাকায় প্রায়ই নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা ও অমর্যাদার শিকার হচ্ছে। যেমন, মুসলমানদের পবিত্র স্থানগুলোতে ইহুদিবাদীরাও যখন তখন প্রবেশ করে কথিত ইহুদি ধর্মীয় উৎসব ও উপাসনা পালন করছে। তারা এইসব স্থানে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করেছে।
অথচ প্রায় এক বছর আগে জাতিসংঘের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো বলেছিল, আল-আকসা মসজিদসহ বায়তুল মুকাদ্দাস শহরের ইসলামী স্থাপনাগুলোর সঙ্গে ইহুদিদের কোনো ধরনের ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও ইসরাইল আল-আকসা মসজিদসহ আলকুদসের ইসলামী স্থাপনাগুলোয় ইহুদিবাদীদের কর্তৃত্ব ও সেগুলোর ইহুদিকরণের তৎপরতা দিনকে দিন জোরদার করেই চলেছে। নানা ধরনের ইহুদি উৎসবের অজুহাতে আল-আকসা মসজিদ এবং তার আশপাশে বছরের প্রায় ২০০ দিনই মুসলমানদের যাতায়াত নিষিদ্ধ করে রেখেছে ইসরাইল।
মুসলমানদের প্রথম কিবলার নানা অংশকে ইহুদিদের সম্পত্তি বলে দাবি করছে ইসরাইল। ইসরাইল এইসব অংশকে আল-আকসা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়। এ ছাড়াও আশপাশে ইহুদি স্থাপনার সংস্কার বা উন্নয়ন তৎপরতার অজুহাত দেখিয়ে সুড়ঙ্গ খোঁড়াসহ নানা ধরনের খনন-কাজ চালিয়ে ইসরাইল আল-আকসা মসজিদের অস্তিত্ব বিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
ইসরাইà