সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


মুসলমানদের প্রথম কিবলায় অব্যাহত ইসরাইলি হঠকারিতা ও ফিলিস্তিনিদের প্রতিক্রিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুসলমানদের প্রথম কিবলা তথা আলআকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের নামাজ পড়তে দিচ্ছে না ইহুদিবাদী ইসরাইল।

ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষ এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, ইসরাইলের এই পদক্ষেপ সব ধরনের আন্তর্জাতিক আইন ও ইশতেহারের লঙ্ঘন এবং তা সব মানবীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতারও পরিপন্থী।

এর আগে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরাইলি পুলিশ কোনো মুসল্লিকেই আল-আকসা মসজিদে নামাজ পড়তে দিচ্ছে না।

ফিলিস্তিনি বিশেষজ্ঞ মুহাম্মাদ জাদাল্লাহ এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ইসরাইল এ পদক্ষেপের মাধ্যমে এটাই বোঝাতে চায় যে আল-আকসা মসজিদের ওপর এখন আর মুসলমান ও ফিলিস্তিনিদের কর্তৃত্ব নেই, বরং তা এখন পুরোপুরি ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ফিলিস্তিনিরা আজ নিজ ভূমিতেই পরবাসী। সেখানে মুসলমানদের স্থাপনা এবং পবিত্র স্থানগুলোও আজ ইসরাইলি দখলদারিত্বের নাগপাশে থাকায় প্রায়ই নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা ও অমর্যাদার শিকার হচ্ছে। যেমন, মুসলমানদের পবিত্র স্থানগুলোতে ইহুদিবাদীরাও যখন তখন প্রবেশ করে কথিত ইহুদি ধর্মীয় উৎসব ও উপাসনা পালন করছে। তারা এইসব স্থানে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করেছে।

অথচ প্রায় এক বছর আগে জাতিসংঘের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো বলেছিল, আল-আকসা মসজিদসহ বায়তুল মুকাদ্দাস শহরের ইসলামী স্থাপনাগুলোর সঙ্গে ইহুদিদের কোনো ধরনের ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও ইসরাইল আল-আকসা মসজিদসহ আলকুদসের ইসলামী স্থাপনাগুলোয় ইহুদিবাদীদের কর্তৃত্ব ও সেগুলোর ইহুদিকরণের তৎপরতা দিনকে দিন জোরদার করেই চলেছে। নানা ধরনের ইহুদি উৎসবের অজুহাতে আল-আকসা মসজিদ এবং তার আশপাশে বছরের প্রায় ২০০ দিনই মুসলমানদের যাতায়াত নিষিদ্ধ করে রেখেছে ইসরাইল।

মুসলমানদের প্রথম কিবলার নানা অংশকে ইহুদিদের সম্পত্তি বলে দাবি করছে ইসরাইল। ইসরাইল এইসব অংশকে আল-আকসা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়। এ ছাড়াও আশপাশে ইহুদি স্থাপনার সংস্কার বা উন্নয়ন তৎপরতার অজুহাত দেখিয়ে সুড়ঙ্গ খোঁড়াসহ নানা ধরনের খনন-কাজ চালিয়ে ইসরাইল আল-আকসা মসজিদের অস্তিত্ব বিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

ইসরাইà