বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএনসিসি প্রশাসক ‘বিএনপিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে চাঁদাবাজ বললে জনগণই বিচার করবে’  মক্কায় রাইড-হেইলিং সেবা চালু করল ইনড্রাইভ ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়তে হবে, শরিয়াহর পক্ষে জনমত গড়তে হবে’ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিন গাড়িতে আগুন সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ সরকারের বাড়ল স্বর্ণের দাম নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৬৩ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় ভারসাম্যপূর্ণ ফতোয়ার ওপর গুরুত্বারোপ মুফতি তাকী উসমানীর

যে কারণে পতন হলো নওয়াজ শরিফের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : পাকিস্তানের সদ্য বিদায় নেয়া প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরিফের পতনের কারণে পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারি সামনে আসলেও পেছনে রয়েছে আরও অনেক অজানা কারণ। যেমন সম্পদের বিবরণীতে তথ্য গোপন।

তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানির চেয়ারম্যান পদে থাকার কথা নির্বাচনের হলফনামায় লুকিয়ে ছিলেন নওয়াজ।

দেশটির সুপ্রিম কোর্ট গত শুক্রবার এক আদেশে বলেছে, পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সৎ থাকার পূর্বশর্ত লঙ্ঘন করেছেন নওয়াজ। এ কারণে তিনি এখন পার্লামেন্ট সদস্য থাকার যোগ্য নন।

পাকিস্তানের দৈনিক দ্য ডনের এক প্রতিবেদনে নওয়াজের সেই অসততা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।

নওয়াজ শরিফ পরিবারের তিন পুরুষের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে আদালতের গঠিত যৌথ তদন্ত দল (জেআইটি) ১০ খণ্ডের যে প্রতিবেদন দিয়েছে তাতে অভিযোগের তালিকায় এই তথ্য গোপনের বিষয়টি ছিল না। কিন্তু শুনানিতে ওই তথ্য বেরিয়ে আসার পর আদালত তা আমলে নিয়ে নতুন আদেশ দেয়।

টানটান উত্তেজনার মধ্যে আদালতের ওই রায়ের পর নওয়াজ শরিফের প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা আসে।

আগের দুই বার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানো পাকিস্তান মুসলিম লীগ-এনের এই নেতার তৃতীয় মেয়াদের পরিসমাপ্তি ঘটে দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে।

পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট জেআইটির প্রতিবেদনে আসা অভিযোগের তদন্ত ও বিচারের দায়িত্ব দুর্নীতিবিরোধী বিশেষ আদালতের (অ্যাকাউন্টেবিলিটি কোর্ট) উপর ন্যস্ত করেছে।

কিন্তু জেআইটির তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতেই নওয়াজকে নওয়াজকে সরাসরি অযোগ্য ঘোষণার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারক।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এমন এক অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত এসেছে যা, নওয়াজের আইনজীবীরাও অস্বীকার করতে পারেননি।

প্রতিবেদনে তদন্ত সংস্থা জেআইটি বলেছে, নওয়াজ শরিফ যে দুবাইভিত্তিক ক্যাপিটাল এফজেডই নামের একটি কোম্পানির চেয়ারম্যান ছিলেন তার প্রমাণ সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জেবেল আলি ফ্রি জোন অথরিটির (জাফজা) কাছ থেকে তারা পেয়েছে।

সেখানে দেখা যায়, ২০০৬ সালের ৭ অগাস্ট থেকে ২০১৪ সালের ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন হিসেবে ১০ হাজার দিরহাম নিয়েছেন নওয়াজ। এরই মধ্যে ২০১৩ সালে নির্বাচনে জিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন এই মুসলিম লীগ নেতা। কিন্তু তà¦