সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


শরণার্থী সংকটে যে পাঁচটি দেশ সবার শীর্ষে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ শোয়াইব : শুধু মিয়ানমার নয়; পাঁচটি দেশ শরণার্থী সংকটে ভোগছে। অনেকের ধারণা যেসব দেশের গৃহযুদ্ধ চলছে শুধু সেসব দেশেই শরণার্থীর সংখ্যা বেশি। কিন্তু বাস্তবতা এরূপ নয়। ২০১৫ সালে জাতিসংঘের হিসাব আনুযায়ী বিশ্বে শরণার্থীর সংখ্যা ৬৫.৩ মিলিয়ন। এটি একটি আনুমানিক হিসাব।

নিজ দেশে বসবাস বিপজ্জনক হয়ে উঠলে জীবন রক্ষার তাগিদেই কোনো দেশের জনগোষ্ঠী ভিন্নদেশে শরণ নিতে বাধ্য হয়। জাতিগত সহিংসতা, ধর্মীয় উগ্রতা, রাজনৈতিক আদর্শগত কারণ, সমাজবদ্ধ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাহীনতা ইত্যাদি কারণে অনেক সময় নিজ দেশে বসবাস করা কঠিন হয়ে যায়। আর তখন মানুষ শরণার্থী হয় অন্য দেশে। বর্তমান বিশ্বে যেসব দেশ থেকে মানুষ অন্য দেশে শরণার্থী হচ্ছে তাদের সবার দেশত্যাগের প্রেক্ষাপট এক নয়। যেমন সিরিয়ার শরণার্থী আর মিয়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সমস্যার প্রেক্ষাপট ভিন্ন।

৩১ ডিসেম্বর, ২০০৫ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তান, ইরাক, সিয়েরালিওন, মিয়ানমার, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং ফিলিস্তিন বিশ্বের প্রধান শরণার্থী উৎসস্থল হিসেবে পরিচিত ছিল। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শরণার্থী এসেছে দক্ষিণ সুদান থেকে, প্রায় ৫০ লাখ। জনসংখ্যা অনুপাতে সবচেয়ে বেশি শরণার্থী রয়েছে আজারবাইজানে।

শরণার্থীদের আশ্রয়দান অবশ্যই মানবিক বিষয়। তবে শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়া অনেক সময় আশ্রয়দাতা দেশের জন্য একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ইউএনএইচসিআরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যুদ্ধ, সংঘাত এবং নির্যাতনের কারণে ২০১৪ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বব্যাপী শরণার্থীর সংখ্যা প্রায় ছয় কোটিতে পৌঁছেছে।’ বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগজনক।

বিপুল পরিমাণ মানুষ শরণার্থী হওয়ার পেছনে সিরিয়ার গৃহ যুদ্ধকে কারণ হিসেবে উপস্থাপন করলেও গত পাঁচ বছরে 15 টি যুদ্ধ হয়েছে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে। আর এসব যুদ্ধের কারণেও প্রচুর মানুষ শরণার্থী হতে বাধ্য হয়েছে। তবে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়ে সবচেয়ে বেশি শরণার্থী হয় মিয়ানমারে। দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে আমাদের দেশে আসছে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। নিবন্ধিত রোহিঙ্গার তুলনায় বহুগুণ বেশি রয়েছে অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী। এমনিতেই বাংলাদেশ জনসংখ্যাবহুল দেশ। সেখানে এত বিপুলসংখ্যক শরণার্থীর আশ্রয়দান নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি করছে।

অবশ্à