বাংলাদেশের ব্যাংকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী দেশের ইসলামি ব্যাংকগুলো সুদি ব্যাংকের তুলনায় শক্ত অবস্থানে রয়েছে। মূলধন সংগ্রহ, পূঁজি বিনিয়োগ, রেমিটেন্স সংগ্রহসহ সবকিছুতেই তারা এগিয়ে। ইসলামি ব্যাংকগুলোর এ অগ্রগতি ধারাবাহিক। প্রতিবছর তাদের আর্থিক লেনদেনের আয়তন বাড়ছে। ইসলামি ব্যাংকসমূহের এ সাফল্যের কারণ জানতে আওয়ার ইসলাম মুখোমুখি হয়েছিলো সেন্ট্রাল শরীয়াহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংক অব বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল এ কিউ এম ছফিউল্লাহ আরিফের। তার সঙ্গে কথা বলেন আতাউর রহমান খসরু।
আওয়ার ইসলাম : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইসলামি ব্যাংকের সাফল্য ঈর্ষণীয়। অগ্রগতি ধারাবাহিক। ধারবাহিক সাফল্যের কারণ কী?
ছফিউল্লাহ আরিফ : ইসলামি ব্যাংকসমূহ মানুষের কল্যাণে কাজ করে বলেই মানুষ ইসলামি ব্যাংকসমূহের প্রতি আস্থাশীল হয়ে উঠছেন। ইসলামি ব্যাংক সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে। রিস্ক মিনিমাইজ করে কাজ করে, যেনো এ্যসেট বা ব্যাক্ট বাই এ্যসেট হয়। ইসলামি ব্যাংক রিয়েল ইকোমনিক ট্রানজেকশন করে। তাছাড়া সব ধর্মে সুদ নিষিদ্ধ। মানুষ সুদ মুক্ত থাকতে চায়। শুধু ধর্মের যেনো যেনো সমাজে সুদ অপছন্দীয় যারা সুদি লেনদেন করে তারাও তা খারাপ জেনে করেন।
আওয়ার ইসলাম : সাধারণ ব্যাংকের দাবি ইসলামি ব্যাংকসমূহ ধর্মীয় অনুভূতি পুঁজি করে ব্যবসা করছে?
ছফিউল্লাহ আরিফ : ইসলামি ব্যাংক মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি পুঁজি করে ব্যবসা করছে না। ইসলামি ব্যাংক সুদ হারাম জেনে কাজ করছে। অন্যদিকে ধর্মে সুদ নিষিদ্ধ, সমাজে সুদ নিন্দীয় তাই মানুষ সুদমুক্ত লেনদেন বেছে নিচ্ছেন। এটা পুঁজি করা নয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য যা ভালো তাই তারা করছে।
তারা একটি ভালো পথ অনুসরণ করছে, আমরা সবাই কোনো কোনো ভালো পলিসি সামনে রেখে কাজ করে। পুঁজি করে করছে।
আওয়ার ইসলাম : স্বতন্ত্র ইসলামি ব্যাংকিং অ্যাক্ট বহুদিনের দা